• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
Headline
এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ রাতেও মিলবে সূর্যের আলো, মহাকাশে বসবে ৫০ হাজার আয়না পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স পরিবেশনা রফতানি ব্যাহত, কারখানায় আগুন: ক্ষতির মুখে পোশাকশিল্প শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালে দুদক চেয়ারম্যানের আকস্মিক পরিদর্শন, রোগীদের নানা অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার-শিক্ষার্থী সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের মিছিল বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ওপর একটি বাজি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

অভিনেতা থেকে আর্মি, নানা পাটেকর ছিলেন কার্গিল যুদ্ধেও

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন: এ ঘটনা বিরল কিংবা অবিশ্বাস্যও বটে। একজন অভিনেতা তার সিনেমার জন্য সরাসরি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ নিতেই পারেন। কিন্তু বাস্তবেই যদি তিনি সেনাবাহিনীর পোশাকে নেমে পড়েন যুদ্ধের ময়দানে, তখন সেটা আর স্বাভাবিক থাকে না।এমনই অনন্য উদাহরণ রচনা করেছিলেন বলিউডের নন্দিত অভিনেতা নানা পাটেকর। যিনি বৃহস্পতিবার মারা গেছেন। ৭৫-এ থেমে যাওয়া নানার ক্যারিয়ার যেমন বৈচিত্র্যময়, বাস্তব জীবন তার চেয়ে কিছুটা কম নয়।
১৯৯১ সালে মুক্তি পেয়েছিল নানা অভিনীত ও নির্মিত সিনেমা ‘প্রহার : দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’। সিনেমাটিতে মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রির মেজর ভি এস ছাবান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে এ চরিত্রের জন্য তিনি সত্যিকার অর্থেই আর্মি ট্রেনিং নিয়েছিলেন।
এ ঘটনা নিয়ে ১৯৯২ সালেই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল ইন্ডিয়া টুডে। তবে এর পরে যা ঘটেছিল, সেটা অবিশ্বাস্য। ১৯৯৯ সালে যখন জম্মু ও কাশ্মীরের কার্গিলে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধ বাঁধে, সে যুদ্ধে সরাসরি ময়দানে হাজির হন নানা পাটেকর!
বিষয়টি নিয়ে ২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে খোলাখুলি কথা বলেছিলেন অভিনেতা। নানা জানান, প্রায় দুই মাস তিনি কার্গিলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ছিলেন। যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠার খবর শুনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্দেজের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নানা। যুদ্ধের এলাকায় সৈনিকদের সঙ্গে থাকতে ইচ্ছেপোষণ করেন তিনি। কিন্তু এভাবে কি সম্ভব? একজন সাধারণ মানুষ কি চাইলেই যুদ্ধের সময়ে আর্মিদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন? এমনটা জানিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফিরিয়ে দিতে চাইলেন। কিন্তু নানা জানালেন, তিনি কমান্ডো ট্রেনিং নিয়েছিলেন, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ও রাইফেল শুটিংয়ে তিনি জাতীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞতা নিয়েছেন। এসব জেনে পরে তাকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
নানা জানান, দ্রাস, লেহ, কুপওয়ারা, বারামুল্লা ও সোপুরে জায়গাগুলো মিলিয়ে প্রায় ৬০ দিন তিনি আর্মি সৈনিকদের সঙ্গে ছিলেন। এমনকি যুদ্ধের সময় তিনি ‘কুইক রিঅ্যাকশন টিম’-এর অংশও হয়েছিলেন। কিন্তু কী করেছিলেন তিনি? এ বিষয়টা খোলাসা করেননি অভিনেতা। কারণ তা নিয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে। ওই সময়টা নিয়ে নানা পাটেকর শুধু তৃপ্তির সুরে একটি কথাই বলেছিলেন, ‘আমি নিজেকে সুখী মনে হচ্ছিল। দেশের জন্য অন্তত কিছুটা তো করতে পারলাম।’
উল্লেখ্য, কার্গিল যুদ্ধের পর আহত সৈনিকদের সঙ্গে অনেক তারকাই দেখা করেছিলেন। তবে নানা পাটেকর একমাত্র তারকা, যিনি যুদ্ধের সময় সৈনিকদের সঙ্গেই ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category