• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
Headline
পাথরঘাটায় প্রবাসী ১০ লক্ষাধিক টাকা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাত, জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে অন্যত্র বিয়ে! পিরোজপুরে বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন প্রতিরোধ সচেতনতা দিবস পালন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির সমঝোতায় নাখোশ ইরানের কট্টরপন্থীরা বিহারে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলাকারি নেপালে অস্বাভাবিক মৃত্যু ট্রাম্পের জন্মদিনে হোয়াইট হাউসে ‘খাঁচায় লড়াই’-এর আয়োজন, সমালোচনা অর্থনীতিতে ধাক্কা, যুক্তরাজ্যে কমছে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে স্বাগত বিশ্বনেতাদের নিউজিল্যান্ডে একটি ফলের দোকানে অর্ধেক হলুদ–অর্ধেক লাল, এ কেমন আপেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তিকে ‘কৌশলগত পরাজয়’ হিসেবে দেখছেন ইসরায়েলি ডানপন্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় চালক ও ১১ যাত্রীর সবাই নিহত

চট্টগ্রামে যানজট নিরসনে মেট্রোরেল ও মনোরেল প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

প্রভাত অর্থনীতি: ডিটিসিএর তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রান্সপোর্ট মাস্টার প্ল্যান অ্যান্ড প্রিলিমিনারি ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর আরবান মেট্রোরেল ট্রানজিট কনস্ট্রাকশন অব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এরিয়া (সিএমএ)’ শীর্ষক প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে মূলত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার পরিবহন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, যানজট হ্রাস এবং পরিবেশ ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে পরিবেশবান্ধব আরবান মেট্রো সিস্টেমের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত। পরে তা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর করা হয়।
প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ দশমিক ৬৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে ১৩ দশমিক ৬৩ কোটি টাকা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা কোইকা (KOICA) প্রকল্প সাহায্য হিসেবে দিচ্ছে ৫৭ কোটি টাকা। প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ৪৫ শতাংশ এবং কাজের অগ্রগতি প্রায় ৫০ শতাংশ। তবে নির্ধারিত সময়ে বাকি কাজ শেষ নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রামে যানজট নিরসন ও গণপরিবহন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ ঘিরে মেট্রোরেল ও মনোরেল নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর কোনোটিই এখন শহরটির জন্য উপযুক্ত অগ্রাধিকার নয়। যানজট ও গণপরিবহনের দুর্বলতা দূর করতে তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল ও বাস্তবসম্মত সমাধানের দিকে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার জন্য একটি পরিবহন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। এর মধ্যেই এ বিতর্ক সামনে এসেছে। সরকার মেট্রোরেলের দিকে ঝুঁকছে, অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মনোরেল প্রকল্পের পক্ষে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
সম্প্রতি ৫ থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ডিটিসিএর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সরেজমিন পরিদর্শন করে।
পরিদর্শন শেষে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মশিউর রহমান জানান, যাত্রী চাহিদা ও ট্রাফিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই মাস্টারপ্ল্যান ও চূড়ান্ত সুপারিশমালা জমা দেওয়া হবে। রুটের চাহিদা খুব বেশি হলে মেট্রোরেল, মাঝারি হলে লাইট রেল ট্রানজিট (এলআরটি) এবং চাহিদা কম থাকলে মনোরেল চালুর কারিগরি মূল্যায়ন চলছে।
অন্যদিকে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের পক্ষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ডিটিসিএ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মেয়র বলেন, সড়ক ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। চসিকের পক্ষ থেকে ডিটিসিএর কাছে একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। তার লক্ষ্য, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করে আগামী বছরের মধ্যেই মনোরেল প্রকল্পের মূল কাজ শুরু করা। এর আগে গত বছরের জুনে মনোরেল চালুর লক্ষ্যে বিদেশি দুটি প্রতিষ্ঠান—ওরাসকম কনস্ট্রাকশন ও আরব কন্ট্রাক্টরসের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে চসিক।
চসিক জানায়, সাড়ে ৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ তিনটি রুটে মনোরেল নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। পুরো অর্থায়ন আসবে বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে। এ বিনিয়োগের জন্য চসিকের কোনো আর্থিক দায় থাকবে না; চসিক শুধু প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট ও ভূমি বরাদ্দ দেবে।
মেয়রের প্রস্তাবিত মনোরেল বনাম মেট্রোরেল বিতর্কের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ও ডিটিসিএর ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার মীর মোহাম্মদ কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, চট্টগ্রামের ট্রাফিক চাহিদা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০৪২ সাল পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে মেট্রোরেলই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। মনোরেলের যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা মেট্রোরেলের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ, যা চট্টগ্রামের দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে না। তবে মনোরেলকে মেট্রোর ‘ফিডার সার্ভিস’ হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
এদিকে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে করা প্রয়োজন, যাতে এটি বাংলাদেশের জন্য একটি লাভজনক ও উপকারী প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে এটি যেন চট্টগ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, প্রকল্প পরিকল্পনার সময় চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সাগর ও পাহাড়বেষ্টিত এই নগরীর সৌন্দর্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ করেই যেকোনো উন্নয়ন উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তবে চট্টগ্রামের জন্য মেট্রোরেল বা মনোরেল আদৌ কতটা কার্যকর ও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই হবে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন সড়ক পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা।
ডিটিসিএর সক্ষমতা ও অতীতের ব্যর্থতা তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের সহসভাপতি প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “ঢাকা থেকে যারা চট্টগ্রামে সমীক্ষা ও ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে এসেছেন, তারা তো খোদ ঢাকা শহরটাই ঠিকমতো কন্ট্রোল করতে পারছেন না। ঢাকা থেকে গাজীপুর পর্যন্ত তারা যে বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) প্রকল্প করেছে, সেটিও ইতিমধ্যে ব্যর্থ হয়েছে। বুয়েটের রিপোর্টে এই বিআরটি প্রকল্প সম্পূর্ণ বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছে। যারা রাজধানীতেই বছরের পর বছর ধরে একটি বাস লেন প্রকল্প সফল করতে পারে না, শত শত কোটি টাকা অপচয় করে, তারা চট্টগ্রামে এসে মেট্রোরেলের নামে কী ম্যাজিক দেখাবে?”
চট্টগ্রামে মেট্রোরেল বা মনোরেল নির্মাণের পরিকল্পনাকে বাস্তববর্জিত ও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন এই বিশেষজ্ঞ।
তার মতে, সরকার মাঠপর্যায়ের প্রকৃত সমস্যা সমাধান না করে ব্যয়বহুল মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমান সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। যে প্রশাসন শহরের একটি জংশনও সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তাদের হাতে এ ধরনের জটিল প্রকল্প নতুন জনভোগান্তির জন্ম দিতে পারে। তিনি মনে করেন, পেশাদার ও বিশেষজ্ঞদের পরিবর্তে আমলা বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে চট্টগ্রামের মূল সড়কগুলোর অবস্থা এখন নাজুক। বিশেষ করে বহদ্দারহাট থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত অসংখ্য ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কারণে মেট্রোরেলের নতুন পিলার বা স্টেশন নির্মাণের মতো পর্যাপ্ত জায়গা আদৌ অবশিষ্ট আছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
সুভাষ বড়ুয়া বলেন, “কোনো বিশেষজ্ঞ নয়, একজন রিকশাচালককেও যদি জিজ্ঞেস করা হয়, তিনিও বলবেন—এই ঘিঞ্জি পিলারের মাঝখানে নতুন করে রেললাইন বসানো অসম্ভব।”
তার মতে, পরিকল্পনায় মানবিকতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। রিকশাচালক বা ফুটপাতের হকারদের উচ্ছেদ না করে বরং তাদের পরিকল্পনার অংশ করতে হবে। কারণ, তারা ব্যাংক লুট করেনি; পরিশ্রম করে জীবনধারণ করে।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের নারীদের যাতায়াত সংস্কৃতির বিষয়টিও পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, দেশের প্রেক্ষাপটে অনেক নারী বাসের চেয়ে রিকশায় যাতায়াতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তিনি বলেন, “চট্টগ্রামের বিকেন্দ্রীকরণ এবং উপজেলা পর্যায়ের গ্রোথ সেন্টারগুলোর উন্নয়ন না করে কেবল শহরে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে শহরের ওপর জনচাপ বাড়তেই থাকবে। ভুল পথে হাজার কোটি টাকা খরচ করার চেয়ে সাধারণ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও গণপরিবহন উন্নয়নে গুরুত্ব দিলে চট্টগ্রামের ৮০ শতাংশ সমস্যার সমাধান সম্ভব।”
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, “চট্টগ্রামে মনোরেল বা মেট্রোরেলের মতো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে এগুলোর প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা, কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা নিয়ে গভীর সমীক্ষা হওয়া জরুরি ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, আগে প্রকল্পের ধারণা বা সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে, পরে সেই প্রকল্পের পক্ষে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সাজানো হচ্ছে। এতে জনস্বার্থের চেয়ে প্রকল্পকেন্দ্রিক মেগা বাজেট ও কেনাকাটার চিন্তাই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে।”
নতুন কোনো মেগা প্রকল্পের কথা উঠলেই সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বাস তৈরি হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সেই আবেগের সুযোগ নিয়ে অনেক সময় বাস্তবতা বিবেচনা না করেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অতীতে যখন আমরা কর্ণফুলী টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারিগরি ত্রুটি ও নকশা নিয়ে সমালোচনা করেছিলাম, তখন আমাদের ‘উন্নয়নের বিরোধী’ বলা হয়েছিল। অথচ এখন বাস্তব চিত্র দেখুন, টানেল প্রত্যাশিত ব্যবহারকারী বা ট্রাফিক পাচ্ছে না। এর বিশাল পরিচালন ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণের বোঝা এখন জাতীয় অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করছে।”
প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার আরও বলেন, “প্রথমে দেখতে হবে সাধারণ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কতটা সমস্যা সমাধান করা যায়। এরপরও ঘাটতি থাকলে ধাপে ধাপে উন্নত প্রযুক্তির দিকে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে সেই প্রাথমিক ধাপগুলো এড়িয়ে সরাসরি সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিকল্পের দিকে যাওয়া হচ্ছে।
“একই সড়কে ধীরগতির যান, দ্রুতগতির যান, রিকশা, ঠেলাগাড়ি ও পথচারী—সবাইকে একসঙ্গে চলতে হচ্ছে। এটি কোনো কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নয়। অনেক ফুটপাত হকারদের দখলে থাকায় পথচারীরা বাধ্য হয়ে সড়কে হাঁটছেন, যা যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।
“ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, লেন শৃঙ্খলা, পথচারী সুবিধা এবং বাস সার্ভিসের মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। মেট্রোরেল ও মনোরেলের মতো প্রকল্প পরিবহন পরিকল্পনার একেবারে শেষ দিকের ধাপ হওয়া উচিত। কিন্তু চট্টগ্রামে প্রাথমিক ও সহজ সমাধানগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা না করেই সরাসরি সেই শেষ ধাপের প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হচ্ছে,” যোগ করেন তিনি। বিশেষজ্ঞরা একমত যে মেট্রোরেল বা মনোরেল প্রযুক্তিগতভাবে নির্মাণ করা সম্ভব। তবে তাদের মতে, মূল প্রশ্ন হলো—এ ধরনের প্রকল্প চট্টগ্রামের জন্য অর্থনৈতিকভাবে টেকসই, ব্যাপকভাবে ব্যবহারযোগ্য এবং নগরবাসীর জন্য সত্যিকার অর্থে উপকারী হবে কি না।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category