• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
Headline
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না: ক্রিস্টেনসেন ২২ হাজার প্রবাসীর এনআইডি আবেদন বাতিল করলো ইসি হামে এ পর্যন্ত ৬৭৭ শিশুর মৃত্যু , ব্যয়ও বাড়ছে চিকিৎসার ২৩ জুন ঘিরে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামায়াত গণতন্ত্রই বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল খেলার পাশাপাশি পড়াশোনা-সংস্কৃতিতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকার বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল কাঁচামাল আমদানিতে ৩০% মূল্য সংযোজনের শর্ত বহাল রাখার দাবি বিটিএমএর বকেয়া বেতন দাবিতে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া আগস্ট থেকেই চলবে ঢাকা-পাবনা ট্রেন: রেলমন্ত্রী
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইরাকের আটটি সূত্র

ইরাকে নতুন গোপন সেল গঠন করেছে ইরান

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইরাকে নতুন গোপন সেল গঠন করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে হামলা চালানোই এদের কাজ। আগে যেসব মিলিশিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হতো, নজর এড়াতে সেগুলো বাদ দিয়ে নতুন এসব সেল তৈরি করা হয়েছে। ইরাকের আটটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তিন থেকে চারটি সেল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি সেলে রয়েছে প্রায় ১০ জন করে অভিজাত শিয়া যোদ্ধা। এরা গত ২০ এপ্রিল থেকে ১৭ মে পর্যন্ত ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলের বসরা ও সামাওয়া শহরের কাছাকাছি মরুভূমি থেকে অন্তত সাতটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থাপনা ছিল এসব হামলার লক্ষ্য।
সূত্রগুলো বলছে, এসব যোদ্ধার একটি অংশ এসেছে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের একটি মোর্চা থেকে। এই মোর্চায় অনেক শিয়া গোষ্ঠী রয়েছে। নতুন এই সেলগুলো ওই মোর্চার কমান্ড কাঠামোর বাইরে গিয়ে কাজ করে এবং আইআরজিসির কাছে সরাসরি প্রতিবেদন জমা দেয়।
আটটি সূত্রের মধ্যে রয়েছেন দুজন ইরাকি সামরিক কর্মকর্তা, একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও পাঁচজন স্থানীয় মিলিশিয়া কমান্ডার। তিন থেকে চারটি সেল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি সেলে রয়েছে প্রায় ১০ জন করে অভিজাত শিয়া যোদ্ধা।
মিলিশিয়া কমান্ডারদের মতে, নতুন সেল গঠনের ঘটনা ইরানের কৌশলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এতে বোঝা যায়, আঞ্চলিকভাবে শক্তি প্রয়োগের সক্ষমতা ধরে রাখতে ইরান এখন আরও ছোট ও নিয়ন্ত্রিত গোষ্ঠীর ওপর নির্ভর করছে। তাঁদের মতে, ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো দুর্বল হয়ে পড়া এবং তেহরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ সীমিত হয়ে আসার কারণে এই পরিবর্তন এসেছে।
ইরাক শিয়াপ্রধান দেশ। সেখানে অনেক মিলিশিয়া গোষ্ঠী রয়েছে, যাদের অনেকে তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে। এসব গোষ্ঠী ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের নেটওয়ার্ক ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’-এর অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই নেটওয়ার্ক গাজা, লেবানন, ইয়েমেন ও ইরাকজুড়ে বিস্তৃত।
‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ ব্যানারে বিভিন্ন গোষ্ঠী দেশটিতে মার্কিন স্থাপনায় ড্রোন ও রকেট হামলার দায় স্বীকার করে আসছে। এসব হামলার জবাবে তাদের ওপর পাল্টা প্রাণঘাতী বিমান হামলা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন শুরুর পর এসব পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। তবে ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে ইরাকের ভেতরে এ পর্যন্ত বড় ধরনের সমাবেশ করতে দেখা যায়নি।
গত বছর থেকে ইরাকের কিছু প্রভাবশালী শিয়া গোষ্ঠী অস্ত্র সমর্পণ করে রাজনীতিতে মনোযোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, যেসব পরিস্থিতি আইআরজিসিকে সরাসরি নিয়ন্ত্রিত ছোট সেল গঠনে উৎসাহিত করেছে, তার মধ্যে এটি অন্যতম।
বাগদাদ দীর্ঘদিন ধরে তার দুই প্রধান মিত্র—ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ভারসাম্য ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে ইরান যুদ্ধের কারণে এই কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
চলতি মাসে ‘আসাইব আহল আল–হক’ ও ‘ইমাম আলী ব্রিগেডস’ ঘোষণা দিয়েছে, তারা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অস্ত্র হস্তান্তর শুরু করবে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরাক সরকারকে দেশটির ভেতরের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ভেঙে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন গঠিত সেলগুলো তুলনামূলকভাবে ছোট, মতাদর্শিকভাবে বেশি কঠোর এবং ইরানের আইআরজিসি মাধ্যমে সরাসরি নিয়ন্ত্রিত। এসব বৈশিষ্ট্য সীমিত সম্পদের মধ্যেও ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব বজায় বা ধরে রাখার কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা গত বুধবার একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, যার লক্ষ্য যুদ্ধ চূড়ান্তভাবে শেষ করা। এতে পরবর্তী ধাপে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।তবে ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন আলোচনার বিষয় নয়। চুক্তিতেও এই ইস্যুটি নেই।
এ বিষয়ে জানতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘ মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা আশা করছে, ইরাক সরকার ইরানের অস্থিতিশীল কার্যক্রমের সব উপাদান, বিশেষ করে আইআরজিসি ও ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো ভেঙে দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।
১৫ জুন সোমবার ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি ও যুক্তরাষ্ট্রের দূত টম ব্যারাক ইরাকের রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র ও বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। পরে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, কোনো পক্ষ যাতে ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
আলী আল-জাইদির সামরিক মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
কুয়েতের তথ্য মন্ত্রণালয়, সৌদি সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার বড় ধরনের ক্ষতি করেছে। এতে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং বেড়েছে মূল্যস্ফীতি।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছিল। যুদ্ধের আগে এ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হতো। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার জবাবে গালফ অঞ্চলের দেশগুলোর ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। নতুন গঠিত সেলগুলো তুলনামূলকভাবে ছোট, মতাদর্শিকভাবে বেশি কঠোর এবং ইরানের আইআরজিসির দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রিত।
যুদ্ধ চলাকালে ইরাকের ভেতরে নতুন কিছু গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়েছে। এসব গোষ্ঠীর নাম ও পরিচয় তেমন একটা পরিচিত নয়।
ইরাকের তিনটি নিরাপত্তা সূত্রের তথ্যমতে, এসব গোষ্ঠী কুয়েতে অন্তত তিনটি, সৌদিতে দুটি ও আমিরাতে দুটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্য, গোপন বার্তা ধরে ফেলা ও হামলার স্থান থেকে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে সূত্রগুলো এ খবর নিশ্চিত করেছে।
সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন বাহিনী মোতায়েন থাকা কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটি ও দেশটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি সামরিক টার্মিনাল হামলায় নিশানা করা হয়েছিল। তবে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে চালানো হামলাগুলো প্রতিহত করা হয়। রয়টার্স এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
ইরাকি কর্মকর্তাদের মতে, দায় অস্বীকার করার সুযোগ তৈরি করতে ইরানের আইআরজিসি নতুন গোপন সেলগুলো ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের ইরানপন্থী প্রধান গোষ্ঠীগুলোর ওপর দায় চাপানো এড়ানো এবং ইরাক সরকারকে মিলিশিয়া নিরস্ত্র করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপও কিছুটা প্রশমিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে এসব গোষ্ঠী সম্পর্কে তেমন একটা তথ্য নেই। তবে আগামীতে হামলা ঠেকাতে তাদের কমান্ড কাঠামো ও সংযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, এসব গোষ্ঠীতে ড্রোন পরিচালনা ও যোগাযোগব্যবস্থায় দক্ষ অভিজাত যোদ্ধারা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান বছরের পর বছর ধরে বিপুল অর্থ ব্যয় করে আঞ্চলিক মিত্রজোট গড়ে তুলেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকে এ নেটওয়ার্ক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে দুর্বল হয়ে গেছে।
ওই হামলার পর থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় ও লেবাননে ব্যাপকভাবে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। একই সময়ে ইরানের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর ওপর অনেক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।
একই সময়ে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত হন। এর ফলে ইরাকি মিলিশিয়াদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে ইরান আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এই পরিস্থিতিতে ইরান এখন আর আগের মতো বৃহৎ ও তহবিলপুষ্ট নেটওয়ার্ক ধরে রাখার পরিবর্তে সীমিত সংখ্যক কিন্তু মতাদর্শিকভাবে বেশি কঠোর গোষ্ঠীর ওপর নির্ভর করছে। অর্থায়ন কম হলেও আনুগত্যের পাশাপাশি দায় এড়ানোর সক্ষমতা ও কৌশলগত প্রভাবকে এসব গোষ্ঠী অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
নতুন গোষ্ঠীগুলোকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির জন্য এটাকে প্রাথমিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের পরিপ্রেক্ষিতে শিয়া রাজনৈতিক ব্লকের প্রভাবশালী জোটকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনি গত মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইরানের ঘনিষ্ঠ সাবেক প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকির প্রত্যাবর্তন ঠেকানো ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বাগদাদ দীর্ঘদিন ধরে তার দুই প্রধান মিত্র—ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ভারসাম্য ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে ইরান যুদ্ধের কারণে এই কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইরাক থেকে হওয়া হামলাগুলো দেশটির উপসাগরীয় ধনী প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টাকেও ঝুঁকিতে ফেলছে। ১৯৯০ সালে ইরাকের কুয়েত আক্রমণের পর থেকে এই সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছিল। কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এপ্রিল মাসে এসব হামলার প্রতিবাদে ইরাকের রাষ্ট্রদূতদের তলব করে।
গত ১৭ মে এক ড্রোন হামলায় আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন লেগে যায় বলে দাবি করা হয়। এ হামলার সঙ্গে এসব গোষ্ঠী যুক্ত ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছে ইরাকি কর্তৃপক্ষ। একই দিনে সৌদি আরব জানিয়েছিল, তারা ইরাক থেকে আসা তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ইরাকি কর্মকর্তাদের মতে, এসব হামলা নতুন একটি গোষ্ঠী চালিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জাইদি এসব হামলাকে অপরাধমূলক কাজ হিসেবে নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে মিলে যৌথ তদন্ত করবে, যাতে ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়।
তবে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান এ বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে রয়টার্সের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category