• সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
পীরগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক, রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিলের অভিযোগ টাঙ্গাইলে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, চঞ্চলের ২০ বছরের কারাদণ্ড বাগেরহাটে চাকুরী বহাল রাখার দাবি আউটসোর্সিং কর্মচারীদের পাচার হওয়া ৩০ লাখ কোটি টাকা দেশে ফেরত আনার দাবি তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর মরদেহ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ ২৯ জুন প্রকাশ পাবে নোরা ফাতেহি- সঞ্জয়ের নতুন গান ‘চ্যাম্পিয়ন’ ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতার উর্দ্ধে উঠে সমাজ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা এখন চীন ও ভারতের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি

আম, কাঁঠাল কিংবা লটকনের দাম ক্রেতাদের নাগালে, চড়া জাম-লিচু

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

প্রভাত অর্থনীতি: মধুমাস জ্যৈষ্ঠ পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর বাজারে এখনো দেখা মিলছে হরেক রকমের মৌসুমি ফলের। আম, কাঁঠাল কিংবা লটকনের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে থাকলেও সিজন শেষ হয়ে আসায় বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে জাম ও লিচু।
ফল ব্যবসায়ীরা বলছেন, দিন যত যাবে বাজারে মৌসুমি ফলের সরবরাহ কমে আসার কারণে দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে। শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
রাজধানীর বাজারগুলোতে এখন ফজলি, হাঁড়িভাঙা, আম্রপালি ও হিমসাগরসহ বিভিন্ন জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে, যার দাম নির্ধারিত হচ্ছে আকার ও রঙের ওপর ভিত্তি করে। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি আম্রপালি আম ১০০ টাকা বা পাঁচ কেজির পাল্লা ৫০০ টাকায় এবং হাঁড়িভাঙা আম প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভরা মৌসুম চলায় বাজারে লটকনের সরবরাহ প্রচুর, যা মানভেদে প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
অন্যান্য ফলের মধ্যে মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় চায়না লিচু প্রতি ১০০টি ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং জাম প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকার মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আকারভেদে প্রতি পিস কাঁঠাল ১০০ থেকে ৫০০ টাকা, বেল প্রতি পিস ১০০ থেকে ১৫০ টাকা এবং জাম্বুরা প্রতি পিস ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হচ্ছে।
বাজার করতে আসা ফল ক্রেতা সামাদ মিয়া জানান, বর্তমানে দেশি ফলের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। মাত্র ১০০ টাকা কেজিতে ভালো মানের আম্রপালি এবং ৮০ টাকা কেজিতে হাঁড়িভাঙা আম কিনতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে মৌসুমের সময় যত পার হবে, দেশি ফলের দাম তত বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।
এদিকে লিচু বিক্রেতা মোহাম্মদ রহিম বলেন, লিচুর মৌসুম প্রায় শেষ এবং আজই শেষ দিনের মতো বিক্রি করছি। গত সপ্তাহেও যে চায়না লিচু প্রতি ১০০টি ১ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি, আজ তা মাত্র ৭০০ টাকায় ছেড়ে দিচ্ছি। বাজারে অন্য বিক্রেতারা ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি করলেও তিনি মালিকের নির্দেশে সীমিত স্টকের এই লিচু নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিচ্ছেন বলেও জানান।
কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, জামের সিজন চলে যাচ্ছে তাই দাম বাড়ছে। এখন একটু বেশি। ফলের সিজন শেষ হয়ে যাচ্ছে তাই দাম বাড়তেছে। কয়েকদিন আগেও ফলের দাম কম ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category