• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ও শৃঙ্খলায় বাড়ছে রোগীদের আস্থা নাজিরপুরের সেখমাটিয়ায় ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বায়ু-শব্দদূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে: রাষ্ট্রদূত এ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ চায় চীনের মতো একটি শক্তি পাশে থাকুক: মির্জা ফখরুল স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ আটকাতে ইসিতে জামায়াতের প্রস্তাব নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রেস সচিব এসএসসি পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই প্রকাশিত হচ্ছে না যারা ট্রল করছে তারা কেউ ছাত্র নয়: শিক্ষামন্ত্রী

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে বীজ-সার: কৃষিমন্ত্রী

Reporter Name / ৫ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।
ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদেরও পুনরায় টিকা নিশ্চিত করতে হবে। একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারির যে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়, তা অনুধাবন করেই সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।
সরকারের সব সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।
এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোথাও কোনো অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষের জীবনেই দুঃসময় আসে। সেই সময়ে সরকার ও সমাজ যদি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তবে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পায়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে যেন কোনো ধরনের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া না হয় এবং সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে- তা নিশ্চিত করতে হবে। অতীতের মতো কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো.খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.মো. আলমগীর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক আপ্রু মারমা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category