• রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
চালু হলো বাংলায় বিনামূল্যে এআই শেখার কোর্স পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দলের জেলা কমিটি অনুমোদন ফরিদপুরের নগরকান্দায় বেপরোয়া ওভারটেকিংয়ে দুর্ঘটনা, বাসচালক পলাতক বাগেরহাটে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত কুমিল্লায় গৃহকর্ত্রীকে হত্যা করে সোনা-টাকা নিয়ে পালিয়েছে ধান কাটা শ্রমিকেরা গোয়াল‌ন্দের দৌলত‌দিয়ায় সোয়া লাখে বি‌ক্রি হলো ৩ কাত‌ল বুড়িমারীতে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার, ভিসা জটিলতা নিরসনের আশ্বাস আকাশ মেঘলা, ধান ডুবে যাওয়ার শঙ্কা কিশোরগঞ্জের কৃষকদের সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী

আকাশ মেঘলা, ধান ডুবে যাওয়ার শঙ্কা কিশোরগঞ্জের কৃষকদের

Reporter Name / ৪ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা,কিশোরগঞ্জ: টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি কোথাও বেড়েছে আবার কোথাও কমেছে। শনিবার সারাদিন বৃষ্টি থাকলেও আজ রবিবার বৃষ্টি নেই। তবে আকাশ মেঘলা থাকায় ধান ডুবে যাওয়ার শঙ্কা কাটছে না কৃষকদের।
রবিবার (৩ মে) সকাল ৯টার কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি বেড়ে ৩.১৬ মিটারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১০ সেন্টিমিটার বেশি। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ২.৭৮ মিটার, বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ সেন্টিমিটার। অন্যদিকে অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি কমে ২.৪০ মিটারে নেমেছে, যা আগের চেয়ে ৫ সেন্টিমিটার কমেছে। ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি কমে ১.৭৭ মিটার হয়েছে, যা ৩ সেন্টিমিটার কমেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড আরও জানিয়েছে, সব নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১১০ থেকে ৪০০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত ও উজানের পানির চাপ অব্যাহত থাকলে নদ-নদীর পানি আবারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে হাওরাঞ্চলের বোরোধান আরও তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে, যা কৃষকদের ক্ষতি বাড়াতে পারে।
জেলার নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৭ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকেরা জানায়, এরইমধ্যে হাওরাঞ্চলের হাজার হাজার হেক্টর জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা। গতকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় খলায় রাখা ধান শুকাতে সমস্যা হচ্ছে। ধান ঠিকমতো শুকাতে না পারলে পচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনেকের ধানে পচে যাচ্ছে আবার অনেকের ধানে চারা গজিয়েছে।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এর আগেই দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, শনিবার বিকেল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category