• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
পাথরঘাটায় লেমুয়া বাজারে আগুন, অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই. ১৫ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা তীব্র তারল্যসংকটে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্লাব আল নাসর ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ৩০০ কোটির ডলারের এক ম্যাচ আমি ফ্রান্সকে ভয় পাই না, আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন: ইয়ামাল গোলবন্যা আর রেকর্ডের ভিড়ে পাসিংয়ে সেরা আর্জেন্টিনা ৮ বছরের পুরোনো ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী ২০২৬ বিশ্বকাপে মিলে যাচ্ছে ইসরায়েলের সাহায্যে কি তাহলে ইরানের ক্ষমতায় বসতে চেয়েছিলেন আহমাদিনেজাদ রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি তৈরি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে এনবিআর ব্যবসা সম্প্রসারণে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, ধাপে ধাপে যুক্ত হচ্ছে ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ ২০২৫ সালে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ০.৮৯ শতাংশ
বিশ্বকাপে ১০০ ম্যাচ শেষ

গোলবন্যা আর রেকর্ডের ভিড়ে পাসিংয়ে সেরা আর্জেন্টিনা

Reporter Name / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম রেকর্ড ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৩তম আসর। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের ১০০টি ম্যাচ শেষ হয়েছে। বিশ্বমঞ্চের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণে এখন বাকি আছে মাত্র ৪টি ম্যাচ। দুই সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এবং বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল।
আগামী ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের মেগা ফাইনাল। বিশ্বসেরার মুকুট জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এখনও টিকে আছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, সাবেক তিন চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও স্পেন।
ইতোমধ্যে বিদায় নিয়েছে সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোসহ মোট ৪৪টি দল। হেভিওয়েট ব্রাজিল, জার্মানি, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডসের মতো শক্তিশালী দলগুলোরও বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে।

টুর্নামেন্টের ১০০ ম্যাচে যেসব রেকর্ড হয়েছে

১০০ ম্যাচ শেষে এবারের বিশ্বকাপে মোট গোল হয়েছে ২৯২টি। ৪৮ দলের বিশ্বকাপে গোলের সংখ্যা বাড়বে এমন প্রত্যাশা ছিল। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ৬৪ ম্যাচে মোট গোল হয়েছিল ১৭২টি। সেখানে ২০২৬ বিশ্বকাপে মাত্র ১০০ ম্যাচেই গোলসংখ্যা পৌঁছে গেছে ২৯২ তে।
দলগতভাবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৭টি গোলের মালিক আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফ্রান্সের গোল ১৬টি। ইংল্যান্ড করেছে ১৩টি এবং স্পেনের গোলসংখ্যা ১১টি। অন্যদিকে, এ টুর্নামেন্টে একমাত্র গোলশূন্য দল পানামা। গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলেও তারা কোনো গোলের দেখা পায়নি।

অ্যাসিস্টে এগিয়ে ফ্রান্স

দলগত অ্যাসিস্টের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ফ্রান্স। তারা করেছে ১৪টি অ্যাসিস্ট। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড সমান ১০টি করে অ্যাসিস্ট করেছে। স্পেনের অ্যাসিস্ট ৮টি।

আক্রমণে সবচেয়ে ভয়ংকর বেলজিয়াম

প্রতিপক্ষের গোলমুখে সবচেয়ে বেশি শট নেওয়া দলের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বেলজিয়াম। তারা মোট ১১২টি নিশ্চিত শট নিয়েছে। স্পেন ও ফ্রান্স নিয়েছে ১১০টি করে শট। আর্জেন্টিনার শটের সংখ্যা ৯৮টি।

পাসিংয়ে আধিপত্য আর্জেন্টিনার

বল দখল ও ছোট ছোট পাসের খেলায় এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে সফল দল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে এ আসরে শততম ম্যাচ শেষে তারা দিয়েছে ৪ হাজার ১৬২টি পাস, যার সফলতার হার ৯১ শতাংশ। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন, তাদের সফল পাসের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৫টি।

রক্ষণে সবচেয়ে দৃঢ় স্পেন

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম গোল হজম করেছে স্পেন। মাত্র একটি গোল হজম করেছে তারা। ফ্রান্স গোল হজম করেছে ২টি। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড প্রত্যেকেই হজম করেছে ৬টি করে গোল। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ১২টি করে গোল হজম করেছে ইরাক ও তিউনিশিয়া।

আত্মঘাতী গোলের নতুন বিশ্বরেকর্ড

২০২৬ বিশ্বকাপ ইতোমধ্যেই আত্মঘাতী গোলের নতুন রেকর্ড গড়েছে। ১০০ ম্যাচ শেষে আত্মঘাতী গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪টি, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১২টি আত্মঘাতী গোল হয়েছিল। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখেছে উত্তর আমেরিকার এবারের আসরটি। সবচেয়ে বেশি দুটি করে আত্মঘাতী গোল করেছে কাতার ও মিশরের ফুটবলাররা।

ফাউলে এগিয়ে সুইজারল্যান্ড

টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ৮৯টি ফাউল করেছে সুইজারল্যান্ড। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মরক্কোর ফাউল ৮৮টি। ইংল্যান্ড করেছে ৮৭টি ফাউল, আর আর্জেন্টিনা করেছে ৬৮টি।

লাল কার্ডেও রেকর্ড

২০২২ সালের পুরো বিশ্বকাপে মাত্র চারটি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। অথচ ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তিনজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন। ১০০ ম্যাচ শেষে এবারের বিশ্বকাপে মোট ১৪টি লাল কার্ড দেখানো হয়েছে, যা ২০১৮ ও ২০২২ এই দুই বিশ্বকাপ মিলিয়ে প্রদর্শিত মোট ৮টি লাল কার্ডেরও বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও কাতারের ফুটবলাররা সবচেয়ে বেশি দুটি করে লাল কার্ড দেখেছেন।

হলুদ কার্ড ও অফসাইড

এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ২৫৭ জন ফুটবলার হলুদ কার্ড দেখেছেন। দলগতভাবে সবচেয়ে বেশি ১২টি হলুদ কার্ড পেয়েছেন মিশরের খেলোয়াড়রা। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ১৯ বার অফসাইডে ধরা পড়েছে কলম্বিয়া। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা, যারা অফসাইড হয়েছেন ১৮ বার।

গোলরক্ষকদের মধ্যে সেরা সেভ

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সেভ করেছেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল। তিনি করেছেন ২৮টি সেভ, যা চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category