• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
Headline
বিবেকের জীবন যখন ওলটপালট হয়ে যায়, এ সময় পথ দেখিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ দিয়েই ফিরবেন বুবলী টেইলর সুইফট – ট্রাভিস কেলসি বিয়েতে অতিথিদের দেয়া হয়েছিল নানা শর্ত ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এ প্রতিটি চ্যালেঞ্জ দিশা পাটনিকে আরও শক্ত করেছে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বলিউড প্রযোজক অংশুলা কাপুর ও রোহন ঠাক্কর নিউইয়র্কের ব্যস্ত জীবনে মেট্রোর ভেতরেই চলে ফুটবল প্রদর্শনী ও নাচ এন্ড্রিকের গোল মিস ও ব্রাজিলের হার নিয়ে মুখ খুললেন স্কালোনি বিশ্বকাপ স্বপ্ন অধরাই রইল রোনালদোর বিতর্কের জন্ম দেয়া যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে কোয়ার্টারে বেলজিয়াম পর্তুগালের বিদায়ের পর কোচ মার্টিনেজের পদত্যাগের ঘোষণা

ঝিনাইদহের এক হাটে প্রতিদিন কোটি টাকার ড্রাগন বিক্রি

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গৌরীনাথপুর বাজার এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ ড্রাগন ফলের পাইকারি বিপণনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ‘ড্রাগনের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত এই বাজারে মৌসুমজুড়ে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে জমজমাট বেচাকেনা।
জেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কৃষকদের উৎপাদিত ড্রাগন ফল বিক্রি হয়। বর্তমানে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার ফল বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বড় বাজার গড়ে ওঠায় ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন কৃষকরাও। বর্তমানে ফলের আকার ও মান ভেদে প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ৮০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
সরেজমিনে গৌরীনাথপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারজুড়ে সারি সারি আড়তে লাল, গোলাপি ও হলুদ রঙের ড্রাগন ফলের স্তূপ। ভোর থেকেই কৃষকরা ভ্যান, পিকআপ ও ট্রাকযোগে ফল নিয়ে আসছেন। আড়তগুলোতে চলছে বাছাই, ওজন ও প্যাকেটজাত করার ব্যস্ততা। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাকযোগে পাঠানো হচ্ছে এসব ফল।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বাজারে ১০০টি আড়তে প্রতিদিন কোটি টাকার বেশি ড্রাগন কেনাবেচা হচ্ছে। এখান থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।
স্থানীয় চাষি আব্দুল হক বলেন, ‘আগে ড্রাগন ফল বিক্রির জন্য অনেক দূরের বাজারে যেতে হতো। এখন গৌরীনাথপুরেই বড় বাজার হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং ন্যায্যমূল্যও পাচ্ছি।’ আরেক কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ড্রাগন চাষে খরচ তুলনামূলক কম, লাভও ভালো। বাজারে ক্রেতার অভাব নেই। তাই প্রতি বছরই বাগানের পরিধি বাড়াচ্ছি।’
বাজারের আড়তদার সাইদুর রহমান বলেন, ‘মৌসুমের সময় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ড্রাগন ফল বাজারে আসে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখানে এসে সরাসরি ফল কিনে নিয়ে যান। কৃষকও ভালো দাম পান, আমরাও ব্যবসা করতে পারছি।’
পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন, ‘গৌরীনাথপুরের ড্রাগনের মান ভালো হওয়ায় দেশের বাজারে এর চাহিদা অনেক বেশি। প্রতিদিন কয়েকটি ট্রাক ভর্তি ফল বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, ‘ড্রাগন ফলের নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনও ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিকের অপব্যবহার যেন না হয়, সে বিষয়ে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি। পাশাপাশি গৌরীনাথপুর বাজারের সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থাপনা এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category