নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বিয়ের একদিন পরে আব্দুল মালেক (২৬) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভাগিনার মরদেহ দেখে অসুস্থ হয়ে মারা যায় মামা আহিদুল ইসলামও (৪০) । বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদ থেকে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুল মালেক ওই এলাকার মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সাথে আব্দুল মালেকের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
ভাগনের এমন মৃত্যুর খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান তার মামা আহিদুল ইসলাম। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বিয়ের মাত্র একদিন পর মালেক আত্মহত্যা করেছেন। একই সাথে ভাগনের মৃত্যুর শোকে মামা আহিদুল ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টিও অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী জানান, আমরা খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার করি।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।