• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
Headline
মায়েদের নিয়ে পিরোজপুরে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ঢাকা থেকে খুনি ভাড়া করে এনে উপজেলা বিএনপি সভাপতিকে হত্যা, নেপথ্যে কারা বন্যার্তদের সহযোগিতায় গাইবেন রুনা লায়লা প্রিয় দলের জয়ের সাথে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে মেলাতে নারাজ তানজিন তিশা শৃঙ্খলাজনিত কারণে মাইলস্টোন থেকে টিসি দেওয়া হয়েছিল সুহিকে রথযাত্রার অনুষ্ঠানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন মির্জা ফখরুল শিশু ইয়ামালের সঙ্গে লাজুক মেসির সেই বিখ্যাত ছবিটি কীভাবে তোলা হয়েছিল শরণখোলায় দম্পতির লাশ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা, ‘আমাদেরকে মাফ করে দিও’ বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী দেশ চীন হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী দেশ চীন

Reporter Name / ৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গত এক দশকের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি ঘটেছে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অর্থায়নের ক্ষেত্রে। একসময় যে যুক্তরাষ্ট্র ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ, সেই অবস্থান এখন দখল করেছে চীন। শুধু প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) নয়, বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ, অবকাঠামো অর্থায়ন, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং নতুন উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ— সব ক্ষেত্রেই এখন সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক অংশীদার চীন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি শুধু বিনিয়োগের পরিসংখ্যানের পরিবর্তন নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি, শিল্পায়ন এবং উন্নয়ন অর্থায়নের কাঠামোয় একটি মৌলিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত। তবে তারা একইসঙ্গে সতর্ক করে বলছেন, কোনও একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে— চীনের বিনিয়োগকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত এবং বহুপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা।
বাংলাদেশে চীনের অর্থনৈতিক উত্থানের সূচনা মূলত ২০১৬ সালে। ওই বছর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঐতিহাসিক ঢাকা সফরে বাংলাদেশে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ও অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। একই সময় বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এ যুক্ত হয়। এই সফরের আগে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ বিনিয়োগকারী দেশের তালিকাতেও ছিল না চীন। ২০১৬ সালে মোট এফডিআই স্টকে দেশটির অংশ ছিল মাত্র ১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং অবস্থান ছিল ১৬তম। কিন্তু এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সেতু, রেলপথ, টানেল, বন্দর ও শিল্পাঞ্চলসহ একের পর এক বড় প্রকল্পে চীনের অর্থায়ন বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে উৎপাদনমুখী শিল্প স্থাপনে চীনা কোম্পানিগুলোর আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে চীনের মোট এফডিআই স্টক ছিল মাত্র ২৪ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০২৫ সালের শেষে তা বেড়ে প্রায় ২০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ নয় বছরে চীনের বিনিয়োগ সাত গুণেরও বেশি বেড়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই চীন থেকে বাংলাদেশে নিট ৩২১ মিলিয়ন ডলারের নতুন প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, যা দেশটিকে অন্যতম প্রধান এফডিআই উৎসে পরিণত করেছে।
অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ক্রমেই দুর্বল হয়েছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের মোট এফডিআই স্টকের প্রায় ২২ শতাংশ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। ২০২৫ সালের শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট এফডিআই স্টক ৩৩০ কোটি ডলার থেকে নেমে এসেছে প্রায় ১০০ কোটি ডলারে। ভারতের বিনিয়োগ কিছুটা বাড়লেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নে জটিলতার কারণে সেই গতি আগের মতো নেই। শুধু বিনিয়োগ নয়, বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রেও এখন সবচেয়ে বড় অংশীদার চীন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২০ সালে দেশের দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বৈদেশিক ঋণে চীনের অংশ ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে সেই অংশ বেড়ে ২০২৫ সালে ৩৪ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে। ঋণের পরিমাণও একই সময়ে ৪২২ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় অবস্থান থেকে নেমে চতুর্থ স্থানে চলে গেছে। মোট বেসরকারি বৈদেশিক ঋণে দেশটির অংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬ শতাংশে। আর ভারত শীর্ষ ১০ ঋণদাতা দেশের তালিকাতেও নেই।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নযাত্রার সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর অধিকাংশেই রয়েছে চীনা অর্থায়ন। এর মধ্যে রয়েছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার প্রকল্প।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব প্রকল্প শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই করেনি; বরং শিল্পায়ন, রপ্তানি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভিত্তিও শক্তিশালী করেছে।
চীনা বিনিয়োগের আরেকটি বড় পরিবর্তন এসেছে বিনিয়োগের ধরনে। আগে যেখানে চীনা কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ মূলত তৈরি পোশাক শিল্পে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তারা উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর ও উচ্চ মূল্যসংযোজন শিল্পে বিনিয়োগ করছে।
বেপজার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংস্থাটির পাওয়া নতুন বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির প্রায় ৭০ শতাংশ এসেছে চীনা মালিকানাধীন বা চীন-সংশ্লিষ্ট যৌথ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠান থেকে। ড্রোন, সেমিকন্ডাক্টর, ইলেকট্রনিকস, চিকিৎসা সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ, লজিস্টিকস, ফুটওয়্যার, উন্নত প্যাকেজিং ও হাইড্রোপনিক কৃষির মতো খাতে এই বিনিয়োগ বাংলাদেশে নতুন শিল্পায়নের সম্ভাবনা তৈরি করছে।
ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের মতে, কয়েকটি কারণ চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চীনা যন্ত্রপাতি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায় এবং মানও আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের অর্থায়ন দ্রুত পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মতো কঠোর নীতিগত শর্তও সাধারণত থাকে না।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক উদ্যোক্তা ইউরোপীয় যন্ত্রপাতির পরিবর্তে চীনা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছেন। কারণ একই মানের পণ্য অনেক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বড় অঙ্কের অর্থায়নের সহজলভ্যতাও উদ্যোক্তাদের কাছে চীনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
নতুন বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে বাণিজ্য, শিল্প, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নিয়ে একাধিক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
মোংলা বন্দর অর্থনৈতিক অঞ্চল, আনোয়ারা চীনা শিল্পাঞ্চল, কেরানীগঞ্জে হান্ডা গ্রুপের ২২ কোটি ডলারের বিনিয়োগসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প এখন বাস্তবায়নের পথে।
বিডার তথ্য অনুযায়ী, চীনের ১২টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে প্রায় ৯২১ কোটি ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও চীনের বিনিয়োগ দ্রুত বাড়ছে, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগ পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি আশাব্যঞ্জক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে নতুন বিদেশি ইক্যুইটি বিনিয়োগ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭০ শতাংশের বেশি কমেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, পুরোনো বিদেশি কোম্পানিগুলো তাদের মুনাফার একটি অংশ পুনঃবিনিয়োগ করলেও নতুন বিদেশি উদ্যোক্তারা এখনও বড় আকারে বাংলাদেশে আসছেন না। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, নীতির ধারাবাহিকতা, বৈদেশিক মুদ্রা সহজে প্রত্যাবাসন, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন ছাড়া এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, চীনা বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প অবশ্যই অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হতে হবে। অন্যথায় অতিরিক্ত বৈদেশিক ঋণ ভবিষ্যতে আর্থিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, ‘‘শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর কিংবা পাকিস্তানের কিছু অবকাঠামো প্রকল্পের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। প্রকল্প গ্রহণের আগে সম্ভাব্যতা যাচাই, ঋণের স্বচ্ছ শর্ত এবং উন্নয়ন অংশীদারদের বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করতে হবে।’’
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর সাবেক গবেষক ড. জায়েদ বখত গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদেশি ঋণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে এ ধরনের ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় (বাইলেটারাল) উৎসের পরিবর্তে বহুপক্ষীয় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়াই বেশি নিরাপদ।’’ তার ভাষ্য, কোনও নির্দিষ্ট দেশ, যেমন- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা জাপান থেকে ঋণ নিলে অনেক সময় বিভিন্ন নীতিগত ও বাণিজ্যিক শর্ত মেনে চলতে হয়, যা ভবিষ্যতে দেশের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এর পরিবর্তে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঋণ নিলে তুলনামূলকভাবে ঝুঁকি কম থাকে এবং ঋণের শর্তও অধিক স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয়।
ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘‘এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি), জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন তুলনামূলকভাবে বেশি নির্ভরযোগ্য। এসব প্রতিষ্ঠানের ঋণে রাজনৈতিক বা দ্বিপক্ষীয় চাপের ঝুঁকি কম থাকায় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক সুবিধা পাওয়া যায়।’’
বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের মানচিত্রে গত এক দশকের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের নাম চীন। একসময় শীর্ষ ১০ বিনিয়োগকারী দেশের তালিকায়ও না থাকা দেশটি এখন এফডিআই, বেসরকারি বৈদেশিক ঋণ, অবকাঠামো অর্থায়ন এবং নতুন শিল্প বিনিয়োগ— সব ক্ষেত্রেই সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ কেবল চীনের ওপর নির্ভর করবে। বরং বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হবে—চীনের বিনিয়োগকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত এবং বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমানভাবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা। কারণ, দীর্ঘমেয়াদে একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা নয়; বরং বহুমুখী বিনিয়োগ ও অর্থায়নের উৎসই বাংলাদেশের টেকসই শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সবচেয়ে বড় নিশ্চয়তা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category