• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
Headline
এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ রাতেও মিলবে সূর্যের আলো, মহাকাশে বসবে ৫০ হাজার আয়না পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স পরিবেশনা রফতানি ব্যাহত, কারখানায় আগুন: ক্ষতির মুখে পোশাকশিল্প শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালে দুদক চেয়ারম্যানের আকস্মিক পরিদর্শন, রোগীদের নানা অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার-শিক্ষার্থী সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের মিছিল বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ওপর একটি বাজি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

‘মাধুরী দীক্ষিতকে ডেটে নিয়ে যেতে চান অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা

Reporter Name / ১১৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন : ওপার বাংলার অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। পর্দায় তার নাচ আর অভিনয় দুই-ই সমানভাবে মুগ্ধ করে ভক্তদের। তবে খোদ এই নায়কের মনে রাজত্ব করেন অন্য এক ‘স্বপ্নসুন্দরী’। তিনি আর কেউ নন, বলিউডের ‘ধক ধক গার্ল’ মাধুরী দীক্ষিত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অঙ্কুশ অকপটে জানালেন মাধুরীর প্রতি তার সেই দুর্বলতার কথা। এমনকি সুযোগ পেলে এই বলিউড ডিভাকে ডেটেও নিয়ে যেতে চান তিনি!
অঙ্কুশ বলেন, ‘আমরা যে সময় বড় হয়েছি, তখন বহু পুরুষের ‘স্বপ্নের রানি’ ছিলেন মাধুরী দীক্ষিত। আমার ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হওয়ার কোনো কারণ নেই। ঐন্দ্রিলাও জানে যে, নায়িকা মাধুরী শুধু নয়, নৃত্যশিল্পী মাধুরীর প্রতিও আমার আলাদা দুর্বলতা আছে। পর্দায় তাকে দেখতেই কী ভালো লাগত।’
স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে এই অভিনেতা জানান, বর্ধমানে বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে রবিবার মানেই ছিল টেলিভিশনে মাধুরীর সিনেমা। ‘বেটা’, ‘তেজাব’ কিংবা ‘হম আপকে হ্যায় কৌন’ সব ছবিই ছিল তার মুখস্থ। ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি প্রবল ঝোঁক অঙ্কুশের। আর তাই মাধুরীর নাচের মুদ্রার পাশাপাশি তার অনবদ্য ‘এক্সপ্রেশন’ বা অভিব্যক্তি অঙ্কুশকে দারুণভাবে টানত।
মুম্বাইয়ে দীর্ঘ সময় কর্মশালায় থাকলেও প্রিয় অভিনেত্রীর সঙ্গে এখনও দেখা হয়ে ওঠেনি অঙ্কুশের। তবে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে একদিন স্বপ্নের নায়িকার সামনে দাঁড়াতে চান তিনি। অঙ্কুশ বলেন, ‘কখনো দেখা হলে কী বলব জানি না, তবে সুযোগ পেলে ওনাকে ডেটে নিয়ে যেতে চাই। মাধুরীকে নিয়ে আমার পাগলামির কথা ঐন্দ্রিলাও খুব ভালো করে জানে।’
অঙ্কুশ আরও জানান, তখন এলইডির যুগ ছিল না। বাড়িতে ছিল বক্স টেলিভিশন আর ভিসিআর। ক্যাসেট চালিয়ে মাধুরীর গানের সাথে নাচতেন ছোট্ট অঙ্কুশ। আর ছেলের এমন কাণ্ড দেখে মা প্রায়ই রেগে যেতেন। তবে সেই দিনের সেই পাগলামিই আজ তাকে অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category