• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
Headline
ঢাকায় ফুটবল খেলে নিরাপদ ভারত এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ রাতেও মিলবে সূর্যের আলো, মহাকাশে বসবে ৫০ হাজার আয়না পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স পরিবেশনা রফতানি ব্যাহত, কারখানায় আগুন: ক্ষতির মুখে পোশাকশিল্প শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালে দুদক চেয়ারম্যানের আকস্মিক পরিদর্শন, রোগীদের নানা অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার-শিক্ষার্থী সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের মিছিল

রাতেও মিলবে সূর্যের আলো, মহাকাশে বসবে ৫০ হাজার আয়না

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

রকমারি ডেস্ক : রাতের অন্ধকার দূর করে কৃত্রিম উপায়ে সূর্যের আলো ছড়াতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়নাযুক্ত স্যাটেলাইট ওড়ানোর পরিকল্পনা করছে মার্কিন স্টার্টআপ ‘রিফ্লেক্ট অরবিটাল’। তবে পরিবেশের ভারসাম্য ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির স্বার্থে এই মহাকাশীয় আয়না প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করছেন বিশ্বজুড়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তাদের আশঙ্কা, এর ফলে চিরতরে নষ্ট হতে পারে রাতের আকাশের স্বাভাবিক রূপ।
রিফ্লেক্ট অরবিটাল নিজেদের ‘সানলাইট অ্যাজ আ সার্ভিস’ বা সেবা হিসেবে সূর্যের আলো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচয় দেয়। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গ্রাহকেরা প্রয়োজন অনুযায়ী রাতে সূর্যের আলো ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। সৌর প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কিংবা রাতের বেলা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে এই আলো কাজে লাগতে পারে। প্রতি ঘণ্টায় এ সেবার মূল্য ধরা হয়েছে ৫ হাজার ডলার। তবে বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, কৃত্রিম এই আলো পৃথিবীর পরিবেশ ও জীবজগতের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব ফেলবে। ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরির (ইএসও) তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পিত ৫০ হাজার উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করা হলে সামগ্রিকভাবে রাতের আকাশের উজ্জ্বলতা বর্তমানের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেড়ে যেতে পারে।
একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ৫৪ মিটার আয়নাযুক্ত উপগ্রহ থেকে প্রতিফলিত আলো চাঁদের আলোর চেয়ে ৪০ গুণ বেশি উজ্জ্বল হতে পারে। এতে ভূপৃষ্ঠ থেকে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়বে। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী বেন নওয়াক এসব উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মানুষের ভয় থাকাটাই স্বাভাবিক।
গত ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিশাল ফ্লাডলাইট ব্যবহার করে প্রযুক্তিটির পরীক্ষা চালায় প্রতিষ্ঠানটি। এখনো তাদের কোনো উপগ্রহ মহাকাশে নেই। তবে ভারতের স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের সঙ্গে প্রথম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে তারা।
প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্পদার্থবিদ গাসপার বাকোসের আশঙ্কা, এই উদ্যোগ ভূপৃষ্ঠ থেকে মহাকাশ পর্যবেক্ষণের অবসান ঘটাতে পারে। অন্যদিকে আলাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মিশেল উটেনের প্রশ্ন, রাতের আকাশের মালিক কে? তার মতে, রাতের আকাশ দেখতে কেমন হবে, সে বিষয়ে মানুষের মতামত দেওয়ার অধিকার থাকা উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category