• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন

শেরপুরে কমতে শুরু করেছে পাহাড়ি নদীর পানি

Reporter Name / ৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, শেরপুর: ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢল না থাকায় শেরপুরের মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালী ও ভোগাই নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। আর পাহাড়ি সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে বইছে। এর আগে চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১০টায় পানি উন্নয়ন বোর্ড শেরপুরের বিভাগীয় প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর জানান, বুধবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢল না থাকায় মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালী ও ভোগাই নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে, ভোগাই নদীতে ২৭৭ সেন্টিমিটার ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে ৮২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি চলছে। ইতোমধ্যে ডুবে যাওয়া নিম্নাঞ্চলগুলোও জাগতে শুরু করেছে।
সুদীপ্ত কুমার ধর বলেন, মঙ্গলবার রাতে ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের পাহাড়ি নদীগুলোর পানি বেড়ে যায়। এবং চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।
ভয়েজ অব ঝিনাইগাতীর সভাপতি জাহিদুল হক মনির বলেন, আমাদের ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর পানি ভোর রাত থেকে বাড়ছে। বাঁধের কাজ এখনো শেষ হয়নি। দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় এবং টানা বর্ষণ না হওয়ায় আমাদের অঞ্চলের কৃষকরা কোনোমতে ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে। আমরা এখানে স্থায়ী বেড়িবাঁধ চাই। এদিকে জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাখওয়াত হোসেন জানান, ঝিনাইগাতীতে ৫২ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। আর ওই এলাকার নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৮৫ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category