• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
নাজিরপুরের রাজলক্ষী মহাবিদ্যালয় বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত শরণখোলায় পিএফজির উদ্যোগে সম্প্রীতির বৃক্ষরোপণ তীব্র জ্বালানি সংকট: অর্থনীতির চাপ এসে পড়েছে শেয়ারবাজারে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ৬০ শতাংশের উৎপাদন বন্ধ সংসদ অধিবেশন ঘিরে শেরেবাংলা নগর এলাকায় সভা-সমাবেশ ও অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ বদলে গেলো আমদানি নীতির কাঠামো খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ শ্রমিক লীগ নেতা কাশেম রিমান্ডে বাদামতলীর অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদে ডিএসসিসি প্রশাসকের নির্দেশ ভারতীয় আগ্রাসনের বিষয়ে আরও বেশি সজাগ থাকব : পানিসম্পদ মন্ত্রী ৬ দফা দাবিতে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য

কুষ্টিয়ার খোকসায় বজ্রপাতে বাবার মৃত্যুতে হাসপাতালে কাঁদছিল দুই শিশু

Reporter Name / ৮৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
ছবি সংগৃহীত

প্রভাত সংবাদদাতা,কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত কৃষক হজরত আলীর (৩৫) মরদেহ তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে ট্রলিতে রাখা। বাবার নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ছিল তাঁর ১০ বছর বয়সী ছেলে বাপন ও পাঁচ বছরের মেয়ে কুলসুম। ছোট বোনকে বুকে টেনে মাথায় হাত বুলিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছিল বাপন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবারও ডুকরে কেঁদে উঠছিল সে।
সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাতটার দিকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমন দৃশ্য দেখা যায়। হজরত আলী উপজেলার জয়ন্তী হাজরা গ্রামের বাসিন্দা। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে গ্রামের কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করে আবদুস শকীব খান বলেন, হজরত আলী খুবই সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তান রেখে গেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার জয়ন্তী হাজরা গ্রামে বজ্রপাতে হজরত আলীর মৃত্যু হয়। এ সময় পৃথক স্থানে এক স্কুলছাত্রীসহ আরও তিনজন আহত হন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন শিমুলিয়া ইউনিয়নের কালীশংকপুর গ্রামের আজিজুলের মেয়ে ও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অন্তরা (১০), বিলজানি গ্রামের আনিস মোল্লার স্ত্রী ডলি খাতুন (২০) এবং খোকসা-পাংশা সীমান্তবর্তী হলুদবাড়িয়া গ্রামের রুবেল হোসেনের স্ত্রী সোমা পারভিন (২৫)। তাঁদের খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
হজরত আলীর স্বজনেরা বলেন, বিকেলে আকাশে মেঘ জমতে দেখে মাঠে কেটে রাখা ধানের আঁটি গোছাতে যান হজরত আলী। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মাঠে পড়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শারমিন আকতার বলেন, হাসপাতালে আসার আগেই ওই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
হজরত আলীর ভাতিজা বাপ্পী বলেন, কেটে রাখা ধান ভিজে যাওয়ার ভয়েই চাচা মাঠে গিয়েছিলেন। বজ্রপাতের পর তাঁকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category