• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
Headline
ইসমাইলের কোমরে টাকা দেখেই হত্যার পরিকল্পনা, গ্রেফতার ৩ নাটোরে মসজিদের দানবাক্স ভেঙে দুই বস্তায় ভরে টাকা নিয়ে গেলো দুই ব্যক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী যুবকদের ইলেকট্রিক্যাল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বিজিবি মাগুরায় অভিযান, মজুত করা ৩২৮ বস্তা সার জব্দ ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে ফেনীতে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার খুলনায় মাছের দাম লাগামহীন, ক্রেতাদের বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ত্রিশালে জিপিএ -৫ প্রাপ্ত ২১৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান পাথরঘাটায় চাচী হত্যার ঘাতক আটক, ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল শরীয়তপুরে দিনের আলোতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল, জানে না পুলিশ আমিনবাজারে হত্যার শিকার পুলিশের এসবি সদস্য: ১ জন গ্রেফতার, বাকিরা শনাক্ত

পাথরঘাটায় চাচী হত্যার ঘাতক আটক, ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাফর ইকবাল, বিশেষ প্রতিনিধি: বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের লেমুয়া গ্রামের আপন চাচী পিয়ারা বেগমকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আল-আমিনকে আটক করেছে এলাকাবাসী। নিহত পিয়ারা বেগম (৫৫) ওই গ্রামের মৃত শাহজাহান মাতুব্বরের স্ত্রী। হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আল-আমিন একই গ্রামের ছালাম মাতুব্বরের ছেলে ও নিহত পিয়ারা বেগম এর বাসুর এর ছেলে। গত ১ সেপ্টেম্বর মাদকাসক্ত আল-আমিন অতর্কিতভাবে তার আপন চাচী পিয়ারা বেগমের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই পিয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীরা জানান, আল-আমিন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এলাকার নিরীহ নারী-পুরুষের ওপর হামলা চালাতেন। তার ভয়ে অনেকেই ঘর থেকে বের হতে সাহস করতেন না।
প্রতিবেশীরা বলেন, ঘটনার দিন আল-আমিন পিয়ারা বেগমকে আক্রমণ করলে প্রাণ বাঁচাতে তিনি নিজের ঘর থেকে পাশের একটি ঘরে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আল-আমিন তার মাথায় সজোরে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে পিয়ারা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে একের পর এক লাঠি দিয়ে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আল-আমিন আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করতে স্থানীয় এলাকাবাসী ও তার দুই বোন চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। আল-আমিনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করতে রায়হানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ আল-আমিন এর পরিবারের সাথে দফায় দফ বৈঠক করে একটি কৌশল অবলম্বন করেন।
অবশেষে ৫ সেপ্টেম্বর রাতে কৌশলে আল-আমিনকে বাড়িতে আনেন তার দুই বোন। পরে বিষয়টি আবুল কালাম আজাদ ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সোহাগকে জানালে। তারা স্থানীয়দের নিয়ে আল-আমিনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।
রায়হানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আল-আমিনকে আটক করতে না পারলে তার হাতে আরও নিরীহ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। তাকে আটক করতে পেরে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। অপরদিকে, আল-আমিনের বোন ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে আল-আমিনের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। তাকে আটক করায় এখন তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত আল-আমিনের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন, আল-আমিনের বোনসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category