• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
Headline
পাথরঘাটায় প্রবাসী ১০ লক্ষাধিক টাকা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাত, জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে অন্যত্র বিয়ে! পিরোজপুরে বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন প্রতিরোধ সচেতনতা দিবস পালন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির সমঝোতায় নাখোশ ইরানের কট্টরপন্থীরা বিহারে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলাকারি নেপালে অস্বাভাবিক মৃত্যু ট্রাম্পের জন্মদিনে হোয়াইট হাউসে ‘খাঁচায় লড়াই’-এর আয়োজন, সমালোচনা অর্থনীতিতে ধাক্কা, যুক্তরাজ্যে কমছে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে স্বাগত বিশ্বনেতাদের নিউজিল্যান্ডে একটি ফলের দোকানে অর্ধেক হলুদ–অর্ধেক লাল, এ কেমন আপেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তিকে ‘কৌশলগত পরাজয়’ হিসেবে দেখছেন ইসরায়েলি ডানপন্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় চালক ও ১১ যাত্রীর সবাই নিহত

বলিউড তারকা, নৃত্যশিল্পী ও গায়িকা নোরা ফাতেহির হৃদয়ে শুধুই মরক্কো

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন : বলিউড তারকা, নৃত্যশিল্পী ও গায়িকা নোরা ফাতেহি এবার ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফরম্যান্সে অংশ নেন। আর এ আয়োজনকে ঘিরে তাঁর বার্তা একটাই—উৎসব, ঐক্য ও প্রতিনিধিত্ব। কানাডার টরন্টোতে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিবেশন করেন অফিশিয়াল ফিফা গান ‘সির সির’। মরক্কোর জনপ্রিয় ফুটবল স্লোগান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি এ গানের অর্থ, ‘চলো, এগিয়ে যাও’। নোরার আশা, বিশ্বকাপের বিভিন্ন দেশের সমর্থকদের জন্য এটি এক বৈশ্বিক স্লোগানে পরিণত হবে।
বিবিসি নিউজবিটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নোরা বলেন, ‘এটাই সেই সময়, যখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দেশগুলো নিজেদের প্রতিভা নিয়ে কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। ফুটবল ও সংগীত সব সময়ই একসঙ্গে চলে। আমি এই মঞ্চকে ব্যবহার করতে চেয়েছি প্রতিনিধিত্ব, বহু সাংস্কৃতিক শিল্পচর্চা এবং নিজের গল্প বলার জন্য।’
কানাডার টরন্টোতে জন্ম নেয়া মরক্কান বংশোদ্ভূত নোরা ফাতেহি ২২ বছর বয়সে ভারত যান অভিনয় ও নাচের ক্যারিয়ার গড়তে। শুরুটা সহজ ছিল না। ভাষা, সংস্কৃতি ও প্রতিযোগিতার সঙ্গে লড়াই করে ধীরে ধীরে বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করেন। ‘দিলবার’, ‘ও সাকি সাকি’, ‘নাচ মেরি রানি’ কিংবা ‘মানিকে’—একের পর এক জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে নোরা ভারতের অন্যতম আলোচিত পারফরমার হয়ে ওঠেন। বিশ্বকাপের মতো বিশাল আয়োজনে নিজের জন্মশহরে পারফর্ম করতে যাওয়াকে নোরা বর্ণনা করেছেন ‘অবাস্তব’ অভিজ্ঞতা হিসেবে।
‘এটা অনুপ্রেরণার গল্প। এটা এমন একজন মানুষের গল্প, যে স্বপ্ন দেখার সাহস করেছিল। আমি চাই, মানুষ আমার যাত্রা দেখে অনুপ্রাণিত হোক এবং নিজের স্বপ্ন পূরণে সাহসী হয়ে উঠুক,’ বলেন তিনি।
‘সির সির’ গানটি তৈরি করেছেন ফরাসি-আইভরিয়ান সংগীতশিল্পী ভেজেড্রিম ও বাংলাদেশি-আমেরিকান সংগীত প্রযোজক সঞ্জয় দেব। গানটিতে মরক্কোর দারিজা ভাষা, আরবি, ফরাসি ও ইংরেজির মিশ্রণ রয়েছে। নোরার মতে, এই বহুভাষিক বিন্যাসই বিশ্বকাপের প্রকৃত চেতনাকে তুলে ধরে।
গানের ভিডিও ধারণ করা হয়েছে মরক্কোর রাস্তায়। সেখানে দেখানো হয়েছে, কীভাবে পাড়ার মাঠে ফুটবল খেলা ছোট্ট শিশুরা একসময় বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে যায়।
নোরা বলেন, ‘ফুটবলেরও একটা যাত্রা আছে। যেমনটা একজন শিল্পীর থাকে, তেমনটাই এই গানের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক শিল্পীরও রয়েছে।’
নোরার জন্য এটি প্রথম বিশ্বকাপ নয়। ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেছিলেন তিনি। তবে এবারের অভিজ্ঞতাকে আরও বিশেষ মনে করছেন। কারণ, এবার নোরা শুধু একজন পারফরমার নন; বরং বিশ্বকাপের অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাকের অংশ। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে মহড়া, কস্টিউম ফিটিং এবং মঞ্চ প্রস্তুতিতে সময় দিয়েছেন।
বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন করবেন—এ প্রশ্নে নোরার উত্তর পরিষ্কার। তাঁর সমর্থন থাকবে মরক্কোর প্রতি। ২০২২ বিশ্বকাপে আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠা মরক্কোকে নিয়ে তিনি আশাবাদী। প্রথম ম্যাচেই ব্রাজিলের সঙ্গে মরক্কোর ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।
নোরার ভাষায়, ‘তারা শুধু আফ্রিকার প্রতিনিধি নয়, এমন একটি দল, যারা অসংখ্য চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে এখানে পৌঁছেছে। আমার বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপে মরক্কো অসাধারণ কিছু করতে পারে।’

বিবিসি অবলম্বনে


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category