• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
Headline
ইসমাইলের কোমরে টাকা দেখেই হত্যার পরিকল্পনা, গ্রেফতার ৩ নাটোরে মসজিদের দানবাক্স ভেঙে দুই বস্তায় ভরে টাকা নিয়ে গেলো দুই ব্যক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী যুবকদের ইলেকট্রিক্যাল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বিজিবি মাগুরায় অভিযান, মজুত করা ৩২৮ বস্তা সার জব্দ ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে ফেনীতে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার খুলনায় মাছের দাম লাগামহীন, ক্রেতাদের বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ত্রিশালে জিপিএ -৫ প্রাপ্ত ২১৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান পাথরঘাটায় চাচী হত্যার ঘাতক আটক, ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল শরীয়তপুরে দিনের আলোতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল, জানে না পুলিশ আমিনবাজারে হত্যার শিকার পুলিশের এসবি সদস্য: ১ জন গ্রেফতার, বাকিরা শনাক্ত

বুন্দেসলিগায় শালকের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র বায়ার্ন মিউনিকের

Reporter Name / ১২ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: বায়ার্ন মিউনিখের যাত্রা থামল। বুন্দেসলিগায় টানা ৪৭ ম্যাচে অন্তত একবার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছে বায়ার্ন। শনিবার রাতে সেই যাত্রা থামল এমন এক দলের বিপক্ষে, যে দল এবারই জার্মানির শীর্ষ লীগ বুন্দেসলিগায় উঠে এসেছে।
শালকের বিপক্ষে ম্যাচটিতে অবশ্য বায়ার্ন হারেনি, গোলশূন্য ড্র করেছে। তবে এই ড্রয়ে শীর্ষস্থান খুইয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির দল, ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান পয়েন্ট তালিকার চারে।
বায়ার্ন বুন্দেসলিগায় সর্বশেষ গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিল গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি। সেদিন বায়ার লেভারকুসেনের সঙ্গে ০-০ গোলে ড্র করেছিল তারা। বুন্দেসলিগায় টানা ৪৭ ম্যাচে গোল করাটা অবশ্য রেকর্ড নয়। রেকর্ডটি বেশ বড়ই। ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে টানা ৮৭ ম্যাচে গোল করে রেকর্ড গড়েছিল বায়ার্ন। টানা ম্যাচে গোলের তালিকায় বায়ার্নের ৪৭ গোলের এই যাত্রা দ্বিতীয়।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়েও বায়ার্নের এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রতি ম্যাচে গোল করেছে। সর্বশেষ তারা গোল করতে পারেনি ২০২৫ সালের জুলাইয়ে। ক্লাব বিশ্বকাপে পিএসজির কাছে সেই ম্যাচে ২-০ গোলে হেরেছিল বায়ার্ন।
বাভারিয়ানদের শুধু গোলের ধারাবাহিকতাই থামেনি, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের পর এই প্রথম বুন্দেসলিগার শীর্ষে নেই বায়ার্ন। এই সময়ে টানা ৬৭ ম্যাচডেতে শীর্ষে ছিল তারা। বায়ার্নের এই পথচলা থামিয়েছেন শালকের গোলকিপার লোরিস কারিয়ুস। মোট ৫টি সেভ করেছেন এই জার্মান গোলকিপার। তাঁর ক্লিন শিটই বায়ার্নকে গোলহীন রেখেছে।
ম্যাচ শেষে বায়ার্ন কোচ কোম্পানি অবশ্য সুযোগ কাজে না লাগানোয় আফসোস করেছেন, ‘আমাদের সুযোগ ছিল এবং বড় কিছু সুযোগও পেয়েছিলাম। গোলরক্ষককে দু–তিনবার একা পেয়েছিলাম। আক্রমণাত্মক দলের বিপক্ষে খেললে আপনাকে এসব মুহূর্তে গোল করতে হবে। যে পরিমাণ সুযোগ পেয়েছি, তাতে আমরা ম্যাচটি জিততে পারতাম। কিন্তু এটাই ফুটবল।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category