• বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
Headline
মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবি- খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের পিরোজপুরের জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল অনুষ্ঠিত গৌরীপুরে এক্সিম ব্যাংকের ঋণ খেলাপির মামলায় দ্বীন ইসলাম আটক আনচেলত্তির ‘কঠিন শর্তে’ রাজি হয়েই বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছেন নেইমার ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল সিটি ছাড়ার প্রশ্নে গার্দিওলা বললেন, চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে হবে কবজির চোটে উইম্বলডনেও নেই আলকারাজ ইবোলা নিষেধাজ্ঞার পরও কঙ্গোর ফুটবলারদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি বিশ্বকাপ সম্প্রচারে এখনও ভারতের সঙ্গে চুক্তি হয়নি, এবার তারা কী করবেন? হাসপাতালে ভর্তি অমিতাভ খবরটি ছিল গুজব

হাওরাঞ্চলে স্বস্তির রোদে ধান নিয়ে ব্যস্ত কৃষক

Reporter Name / ৫৮ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ: বৃষ্টিপাত কমে আসায় কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি নামতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বেশিরভাগ পয়েন্টে পানি কমলেও একটি পয়েন্টে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে টানা মেঘলা আবহাওয়ার পর রোদ ওঠায় হাওরাঞ্চলে ফিরেছে স্বস্তি। ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বুধবার (৬ মে) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি কমে ৩.২৮ মিটারে নেমেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ২ সেন্টিমিটার কম। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি রয়েছে ২.৯৫ মিটার, কমেছে ১ সেন্টিমিটার। ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি কমে ১.৬৪ মিটারে দাঁড়িয়েছে, যা ৭ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি বেড়ে ২.৬৫ মিটারে পৌঁছেছে, যা ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার সব নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৮৭ থেকে ৪১৬ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তবে উজানের পানির চাপ ও বৃষ্টিপাত আবার বাড়লে নদ-নদীর পানি পুনরায় বৃদ্ধি পেয়ে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষি ও জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ ওঠায় হাওরজুড়ে ফিরে আসে কর্মচাঞ্চল্য। ডুবে যাওয়া ক্ষেত ও খলায় স্তূপ করে রাখা ধান রক্ষায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বুধবার সকালেও রোদ থাকায় সেই ব্যস্ততা অব্যাহত রয়েছে। কেউ পানি থেকে ধান তুলছেন, কেউ আবার খলায় রাখা ধান শুকাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, মাঠপর্যায়ের সর্বশেষ তথ্যমতে প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে ৫০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category