• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
Headline
ভিনিসিয়ুসের সামনে এখনই ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পরীমনি–ইমতিয়াজ বর্ষণকে জুটি করে ওয়েব ফিল্ম বানাচ্ছেন গিয়াসউদ্দিন সেলিম বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা ওপার বাংলায় ‘তাণ্ডব’ বানাচ্ছেন অয়ন চক্রবর্তী, কেন্দ্রীয় চরিত্রে মিমি রাজপালকে শেষবারের মতো দুই সপ্তাহ সময় দিলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বরুণ-জাহ্নবীকে চমকে দিতে ‘কফি কাউচে’ কে এলেন ভারতের সেন্সর বোর্ডে প্রীতি জিনতা – সুনীল শেঠি ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে বাংলাদেশ-ইইউর আলোচনা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী ডেনমার্ক
সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদ

এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দেশে বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা চলছে

Reporter Name / ১১৪ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে স্বার্থান্বেষী মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে বলে মনে করছে দেশের সব নন এমপিও শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষক নেতা ও সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদ। সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি বুধবার (১৫ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হয়ে পড়াশোনায় মনোনিবেশের আহ্বান জানায়।
সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক প্রিন্সিপাল মো. সেলিম মিয়া, পরিষদের মূখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মো. দবিরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ নাজমুছ শাহাদাত আজাদী এবং সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মো. মনিমূল হক স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা গভীর উৎকণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়াকে কেন্দ্র করে সারাদেশে স্বার্থান্বেষী মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। সরকারের ভেতরে-বাইরে অনেক পক্ষ-বিপক্ষ থাকে।
অনেকেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। আমরা দেখছি, প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েই বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় একটি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, কাজ করতে গেলে কিছু ভুল-ভ্রান্তি হতেই পারে। অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য তিনি ভুল স্বীকার করেছেন।
তারপরও বিশৃঙ্খলা থামছে না। আমরা এর মধ্যে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে মন্ত্রী মহোদয় বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন, যা তাকে আধিপত্যবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীলদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, আজ দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হয়েছে যে, ফ্যাসিস্ট ও আধিপত্যবাদী শক্তি সরাসরি ইন্ধন যুগিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী মিলন সাহেবকে থামাতে পারলে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। কাজেই সেই ষড়যন্ত্র সারাদিন চলেছে।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময়ে আমরা অটোপাস দেখেছি, পরীক্ষার খাতায় শিক্ষকদের লিখে পরীক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দিতে দেখেছি, মাত্রাতিরিক্ত নম্বর দিতে দেখেছি। এভাবেই একটি দেশ ও জাতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। সেই প্রক্রিয়া বন্ধ করলে মন্ত্রী মহোদয় কোনো মহলের বিরাগভাজন হতেই পারেন। কিন্তু আমরা দেশের সচেতন নাগরিকরা মনে করি, বাংলাদেশের বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থাকে লাইনে তুলতে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর কোনো বিকল্প নেই। তিনি নকল বন্ধ করে নির্বোধ শিক্ষার্থীদের বিরাগভাজন হয়েছেন, শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে গিয়ে শিক্ষকদের বিরাগভাজন হয়েছেন। কিন্তু তা তো করতেই হবে। বাংলাদেশের মতো দেশের শিক্ষামন্ত্রিত্ব করার জন্য এ সময়ে তার চেয়ে বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আর কেউ নেই। আর যারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চান, তাদের বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করছে বলে আমরা মনে করি। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সমুন্নত রেখে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী-পরীক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানাই। এটাও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, তাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। মন্ত্রী মহোদয়ের দেখানো পথে চললে শিক্ষার্থীদের জন্য সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে। পরিশেষে দেশের সব নন এমপিও শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষক নেতা ও সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা সবার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category