প্রভাত সংবাদদাতা, খুলনা: সপ্তাহের ব্যবধানে খুলনার বাজারে বেড়েছে মুরগী ও সবজির দাম। মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। আর সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫-১০ টাকা। তবে আগের মতোই আছে মাছের দাম।রোববার (২৫ অক্টোবর) মহানগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজার, গল্লামারি বাজার ও নিউ মার্কেট বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, কুমড়া ৩৫-৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা, পুঁইশাক ১৫-২০ টাকা কেজি, আলু ২৫-৩০, সাদা বেগুন ৫০-৬০, ঢেঁড়স ৪০-৫০, পটল ৪০, ফুলকপি ৭০-৮০, শসা ৫০-৬০, মুলা ৫০, পেঁপে ২৫-৩০, করলা ৭০, শিম ১৪০, কাঁচা মরিচ ১২০-১৪০, বরবটি ৭০-৭৫, কাঁচা কলা ২৫-৩০ টাকা হালি, টমেটো ১৮০-২০০, পেঁয়াজ ৫০-৫৫, আদা ১৬০, রসুন ১০০, কচু লতি, জলপাই ৫০ এবং গাজর ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম ফের বেড়ে ১৭৫-১৮০ টাকা কেজি, কক ২৩৫-২৪০ টাকা কেজি, দেশি মুরগী ৫৮০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর মাংস ৭৫০ এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে, মাছের বাজারে প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৩০০-৩২০ টাকা কেজি, রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ২৮০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ১৬০ থেকে ১৮০, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০, দেশি কৈ ৫৫০ থেকে ৬০০, চাষের শিং ৫০০ থেকে ৬০০, টেংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৯০০ এবং কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।মাছ বিক্রেতা কুতুব মিয়া বলেন, মাছের দাম এর থেকে কম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মাছের ফিডের দাম অনেক বেশী। সে তুলনায় মাছের দাম কম আছে। আবার পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। ১ কেজি রুই মাছ বিক্রি করে ২০ থেকে ৩০ টাকার বেশী লাভ করা যায় না।সবজি বিক্রেতা রাজু শেখ বলেন, বাজারে সব ধরনের সবজি যথেষ্ট পরিমাণে আছে। নতুন সবজি উঠতেও শুরু করেছে। এসব টাই কিছু কিছু সবজির দাম একটু বেড়েছে। তবে শীতকালীন সবজি বাজারে উঠে গেলে দাম আরো কমে যাবে।মুরগী ব্যবসায়ী সাদ্দাম মোল্যা বলেন, মুরগির দাম প্রায় দুই সপ্তাহ কম ছিল। এখন একটু বেড়েছে। পরিবহন ব্যয় অনেকটা বেড়েছে। এজন্য মূলত দাম বেড়েছে। তবে এ সময়ে আর দাম কমার সম্ভাবনা নেই।ক্রেতা নাসির হোসেন বলেন, সবজির দাম অনেকটা আগের মতো আছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। মাছের দাম আগের মতো আছে। কমেওনি আবার বৃদ্ধিও পায়নি। তবে গরুর মাংসের দাম আরেকটু কমলে ভালো হতো।অন্য একজন ক্রেতা মায়শা আক্তার বলেন, সবজির দাম কখনো বৃদ্ধি পায় আবার কখনো একেবারে কমে যায়। মাসে হিসেব করলে খরচ একই হয়। এক টাকা কমলে দুই টাকা বেড়ে মাসের খরচ সমান সমান হয়ে যায়। তবে নিয়মিত বাজার তদারকি করলে সবকিছুর দাম আয়ত্তের মধ্যে থাকবে।