• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
Headline
প্রায় ৩৫ বছর পর দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এবার হতে যাচ্ছে ভোটের লড়াই সাদপন্থিদের ইজতেমা বন্ধসহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৯ দাবি জানালো হেফাজত মমতার গাড়িবহরে জুতা ও কাদা নিক্ষেপ, ‘ডাকাতের রানি’ স্লোগান বিলাসবহুল গাড়ি ছেড়ে সাধারণ ব্র্যান্ডে ঝুঁকছেন ধনী ক্রেতারা ট্রাম্প ‘বন্ধু’ হলেও নিজের অবস্থান ‘কঠোর’ করতে জানেন নেতানিয়াহু চীন নির্ভরতা কমাতে লবণ দিয়ে ব্যাটারি তৈরির পথে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, বেশি ঝুঁকিতে উপকূলীয় এলাকা: তথ্যমন্ত্রী জেট ফুয়েলের দাম বাড়লো ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা আড়াই মাসে ভোটার বেড়েছে তিন লাখ ৯ হাজার : ইসি সচিব পাকিস্তান-তুরস্ককে কঠিন শিক্ষা দেয়ার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের

চাকরি পেলেন জুলাই শহিদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্য

Reporter Name / ২২ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাইয়ের শহিদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের হাতে প্রধানমন্ত্রী চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।
চাকুরির নিয়োগপত্র প্রাপ্তরা হলেন, শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহিদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহিদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহিদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহিদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহিদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহিদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী এবং গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তার।
উপ-প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের চাকুরির নিয়োগপত্র দিয়েছেন। তাদের সাথে কথা বলেছেন এবং পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এসব আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে দেশের মানুষ আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁদের আমরা হারিয়েছি, যাঁরা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’
রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে এগিয়ে নিতে হবে। আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমরা যে বাংলাদেশ চাই, সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’ জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
অনুষ্ঠানে সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেয়া শহিদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্নাও উপস্থিত ছিলেন এবং তারাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা চাকরি নিয়োগপত্র পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানান উপ-প্রেস সচিব। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category