• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
Headline
চূড়ান্ত হলো বিশ্বকাপের ৪৮ দলের স্কোয়াড, এক নজরে দেখে নিন ১৫-২০ শতাংশ বাড়ছে বিদ্যুতের দাম, ১ জুন থেকেই কার্যকর এলপি গ্যাসের দাম কমলো ৫৫ টাকা ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী জুনে বৃষ্টিপাত কম হবে, থাকবে তাপপ্রবাহ ভোটার নিবন্ধন ফরম ৩০ জুনের মধ্যে ডাটাবেজে আপলোডের নির্দেশ ইসির তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত আর্থিক সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ বিশ্বকাপের জার্সি বিক্রি, এগিয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা

Reporter Name / ০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের দীর্ঘদিনের দুর্বলতা হিসেবে পরিচিত খেলাপি ঋণের সমস্যা ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে এসে আরও গভীর হয়েছে। ঋণ পুনঃতফসিল, বিশেষ সুবিধা এবং বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা সত্ত্বেও খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। বরং মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে শ্রেণিকৃত ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ফলে দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ও শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় ৫ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মার্চ ২০২৬ ভিত্তিক শ্রেণিকৃত ঋণ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা শ্রেণিকৃত ঋণ। অর্থাৎ মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ এখন সমস্যাগ্রস্ত।
মাত্র তিন মাস আগে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা— যা মোট ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ ছিল। সেই হিসাবে এক প্রান্তিকেই খেলাপি ও শ্রেণিকৃত ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা এবং হার বেড়েছে ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এক বছর আগে ২০২৫ সালের মার্চে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ছিল ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ মাত্র এক বছরে এই হার বেড়েছে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ পয়েন্ট।
বর্তমান পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাতে বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার ঋণের মধ্যে ৩২ টাকার বেশি এখন শ্রেণিকৃত। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো যে অর্থ ঋণ হিসেবে বিতরণ করেছে, তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ফেরত পাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি শুধু ব্যাংকগুলোর জন্য নয়, পুরো অর্থনীতির জন্যও বড় ধরনের সতর্ক সংকেত। কারণ ব্যাংকিং খাতের প্রধান কাজ হলো আমানত সংগ্রহ করে উৎপাদনশীল খাতে ঋণ দেওয়া। কিন্তু ঋণের বড় অংশ আটকে গেলে নতুন ঋণ বিতরণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতা কমে যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, মার্চ ২০২৬ শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ১০৬ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে এই অঙ্ক ছিল ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৯ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা। মোট ঋণের বিপরীতে খেলাপি ঋণের হার এখন ৩০ দশমিক ৯২ শতাংশ। তিন মাস আগে যা ছিল ২৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের মার্চে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা। সেই তুলনায় এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ২ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, শ্রেণিকৃত ঋণের মধ্যে অধিকাংশই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে চলে গেছে। মার্চ ২০২৬ শেষে ‘মন্দ বা ক্ষতিজনক’ ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। যা মোট শ্রেণিকৃত ঋণের ৯৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। অর্থাৎ সমস্যাগ্রস্ত ঋণের প্রায় পুরো অংশই এমন অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে আদায় সম্ভাবনা অত্যন্ত সীমিত। এটি ব্যাংকগুলোর জন্য ভবিষ্যতে আরও বড় ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ‘স্পেশাল মেনশন অ্যাকাউন্ট’ (এসএমএ) বা সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণও দ্রুত বাড়ছে। মার্চ ২০২৬ শেষে এই ধরনের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ১২০ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে যা ছিল ১ লাখ ৩ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে এই খাতে প্রায় ২৮ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসএমএ হিসাবের ঋণগুলোর বড় অংশ ভবিষ্যতে খেলাপিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে আগামী মাসগুলোতে খেলাপি ঋণ আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ব্যাংকগুলোকে সম্ভাব্য ক্ষতির বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সংরক্ষণ করতে হয়, যাকে প্রভিশন বলা হয়। মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকগুলোর প্রয়োজনীয় প্রভিশনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬১ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা। কিন্তু বাস্তবে সংরক্ষিত আছে মাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯ কোটি টাকা। ফলে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে এই ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে ঘাটতি বেড়েছে ১৪ হাজার ২২৪ কোটি টাকা।
বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় প্রভিশন ঘাটতি ব্যাংকগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থাকে দুর্বল করে তুলছে এবং অনেক ব্যাংকের মূলধন সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
ব্যাংকভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি সমস্যায় রয়েছে। মার্চ ২০২৬ শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা শ্রেণিকৃত। ফলে এসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। অর্থাৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার ঋণের প্রায় ৪৬ টাকাই সমস্যাগ্রস্ত। খেলাপি ঋণের হারও ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ, যা পুরো ব্যাংকিং খাতের গড় হারের তুলনায় অনেক বেশি। এছাড়া এসব ব্যাংকের নেট শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ।
দেশের ৪৩টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট ঋণ ১৩ লাখ ৮৩ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা শ্রেণিকৃত ঋণ। ফলে শ্রেণিকৃত ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ১১ শতাংশ। তিন মাস আগে এই হার ছিল ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক প্রান্তিকে ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫৬ কোটি টাকা এবং খেলাপি ঋণের হার ২৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। সংখ্যার বিচারে দেশের মোট খেলাপি ঋণের সবচেয়ে বড় অংশ এখন বেসরকারি ব্যাংকগুলোর হাতে।
বিদেশি ব্যাংকগুলোর অবস্থান তুলনামূলকভাবে অনেক ভালো। মোট ৬৭ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার ঋণের বিপরীতে তাদের শ্রেণিকৃত ঋণ মাত্র ৩ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৪ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং খেলাপি ঋণের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। নেট শ্রেণিকৃত ঋণের হার মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ। এটি দেখায় যে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ঋণ মূল্যায়ন এবং করপোরেট সুশাসনের ক্ষেত্রে বিদেশি ব্যাংকগুলো এখনও অনেক বেশি কার্যকর।
বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ ৪৭ হাজার ৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৯ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা শ্রেণিকৃত। ফলে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ। খেলাপি ঋণের হার ৩৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। যা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে কৃষি ও বিশেষ খাতভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এক বছরে ব্যাংকিং খাতে মোট ঋণ বেড়েছে ৮২ হাজার ৬৭৬ কোটি টাকা। মোট ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে, ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ১৮ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকে ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং বিদেশি ব্যাংকে মাত্র শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, ঋণের পরিমাণ বাড়লেও তার মান উন্নত হয়নি। বরং নতুন ঋণের পাশাপাশি সমস্যাগ্রস্ত ঋণের পরিমাণও দ্রুত বাড়ছে।
ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের মতে, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করছে। প্রথমত, দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল ঋণ মূল্যায়ন ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক বড় ঋণ আদায়যোগ্য অবস্থায় নেই। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ সুদের হার এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে ধীরগতির কারণে অনেক উদ্যোক্তা ঋণ পরিশোধে সমস্যায় পড়ছেন। তৃতীয়ত, অতীতে দেওয়া পুনঃতফসিল ও বিশেষ সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনেক ঋণ আবার খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত হয়েছে। চতুর্থত, ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় এখনও উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা রয়েছে।
ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের বর্তমান পরিস্থিতি অর্থনীতির জন্য কয়েকটি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। নতুন বিনিয়োগে অর্থায়ন কমে যেতে পারে। সুদের হার উচ্চ পর্যায়ে থাকার চাপ বাড়তে পারে। ব্যাংকগুলোর মুনাফা কমে যেতে পারে। মূলধন ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। আমানতকারীদের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সরকারকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে নতুন করে মূলধন জোগান দিতে হতে পারে।
প্রসঙ্গত, মার্চ ২০২৬ শেষে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের চিত্র স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে যে খেলাপি ঋণ এখন আর শুধু একটি ব্যাংকিং সমস্যা নয়; এটি সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি কাঠামোগত ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। মোট ঋণের এক-তৃতীয়াংশের বেশি শ্রেণিকৃত, খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, প্রভিশন ঘাটতি ২ লাখ কোটি টাকার ওপরে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে প্রায় অর্ধেক ঋণই সমস্যাগ্রস্ত। এসব সূচক ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, ঋণ আদায়ে কঠোরতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ঋণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না করা গেলে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে যখন অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শক্তিশালী ব্যাংকিং খাতের প্রয়োজন, তখন খেলাপি ঋণের এই ঊর্ধ্বগতি নীতিনির্ধারকদের জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা হয়ে দেখা দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category