• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
Headline
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি : রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা না থামালে বড় বিপদে পড়বে ইউক্রেন দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনে ১২ সাংবাদিক আটক পুলিশ হেফাজতে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি ইয়েমেন যাওয়ার পথে নৌকা ডুবে ১৩৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ৮৪ ইয়েমেনের সানা ও তাইজে বিমান হামলা, বিকল্প পথে তেল রপ্তানির বার্তা সৌদির ‘ইন্ডিয়া’ নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি নন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন মোদী সরকারের ২০০ কর্মকর্তা : রাহুল গান্ধী হুতিদের নিয়ে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আইএমএফের সঙ্গে ৪৫০ কোটি ডলারের নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনা হতে পারে জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌদি আরবের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ

দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনে ১২ সাংবাদিক আটক

Reporter Name / ৫ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হিন্দুস্তান টাইমসের সহযোগী প্রকাশনা হিন্দুস্তানের এক প্রতিবেদকসহ কমপক্ষে ১২ সাংবাদিককে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। রবিবার এ ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এ খবর জানিয়েছে।
আটকের বর্ণনা দিয়েছেন হিন্দুস্তানের ২৭ বছর বয়সী প্রতিবেদক আশিস সিং। তিনি জানান, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) ডাকা বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় বিকেল আড়াইটার দিকে আরকে আশ্রম মার্গ থেকে তাকে আটক করা হয়। সংবাদকর্মী হিসেবে স্পষ্ট শনাক্তকারী পরিচয়পত্র পরা থাকা সত্ত্বেও তাকে ধাক্কাধাক্কি করা হয় এবং তিনি আহত হন।
আশিস সিং বলেন, আমি ক্যামেরায় আটকের দৃশ্য ধারণ করছিলাম, তখন টের পেলাম পুলিশ আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে। তারা কোনও ধারালো জিনিস দিয়ে, হয়তো নাকলের মতো কিছু দিয়ে, আমাকে আঘাতও করেছে। আমি ঘুরে একবার নয়, বহুবার তাদের বলেছি, আমি এইচটির প্রতিবেদক। আমার গলায় আইডি কার্ডও ছিল, যা আমি তাদের দেখিয়েছি। কিন্তু তারা আমার কথা শোনেনি।
এরপর এক আলোকচিত্রীর সঙ্গে তাকে বাসে তুলে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, আমি বিক্ষোভকারীদের থেকে অনেক দূরে ছিলাম, পুলিশের কাজেও বাধা দিচ্ছিলাম না, তবু তারা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে।
প্রায় ২০-৩০ মিনিট বাসে থাকার পর বাসটি মন্দির মার্গ এলাকায় পৌঁছালে অন্য সাংবাদিকের সঙ্গে তিনি বাস থেকে লাফিয়ে নামেন। তিনি বলেন, আমার ভয় ছিল, পুলিশ আমাদের ফোন কেড়ে নিয়ে সব তথ্য মুছে দেবে।
একটি জাতীয় সংবাদ সংস্থার এক আলোকচিত্রী নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আটক ব্যক্তিদের ছবি তোলার সময় তাকে আটক করা হয়। পুলিশ পথচারীদের সরিয়ে দিচ্ছিলো এবং সাংবাদিকদের আটক করছিল। তিনি বলেন, তারা হঠাৎ চিৎকার করে বলল, ওকে ভেতরে নাও আর আমাকেও ধাক্কা দিল। আমাকে মেমোরি কার্ড লুকিয়ে ফেলতে হয়েছে, কারণ আমার ভয় ছিল তারা আমার জিনিসপত্র কেড়ে নিয়ে সব ছবি মুছে দেবে।
আটক অন্য সাংবাদিকদের মধ্যে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস হিন্দির তিন প্রতিবেদক, দ্য হিন্দুর একজন এবং ডিজিটাল সংবাদ প্ল্যাটফর্মের ক্যামেরাকর্মীরা ছিলেন। দিল্লি পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা আটকের বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।সাংবাদিকদের শাশ্বত, সিয়া ও বিজয় হিসেবে শনাক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের কনট প্লেস থেকে আটক করে ছত্রসাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট পর যেখান থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল, তার প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে দ্য হিন্দুর এক নারী সাংবাদিককেও বাসে ঠেলে তুলে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আটক করা হয়। তিনি সাংবাদিক বলে জোর দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কনট প্লেসে তিনি বলেন, আমি নিজের ভিডিও রেকর্ড করছিলাম, তখন পুলিশ সদস্যরা এসে জিজ্ঞেস করতে শুরু করলেন, আপনি কী করছেন। তারা আমাকে শুধু আটক করে ফেলল। কীভাবে তারা সংবাদমাধ্যমকে আটক করতে পারে?


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category