প্রভাত রিপোর্ট: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নবীন কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজস্ব মেধা ও দক্ষতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে হবে। কারণ, তাদের সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বশীলতার ওপর দেশের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে। রবিবার (১ নভেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ৪৫তম বিসিএস মৎস্য ও পশুসম্পদ ক্যাডারের নতুন কর্মকর্তাদের যোগদান অনুষ্ঠানে তাদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার কর্মজীবন প্রায় ২৫ থেকে ৩২ বছর। তাই নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে তাদের দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ রয়েছে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য আরও সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের পাশাপাশি উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণও নিরাপদ করতে হবে। বিশেষ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নবীন কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। খাদ্যের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ মানবদেহে প্রবেশ করায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের (এএমআর) ঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।
নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের জন্য সংগ্রাম, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রেও কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে এবং নৈতিকতার সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, দেশপ্রেমকে হৃদয়ে ধারণ করে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ চেতনাকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনে আইন ও নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের আহ্বান জানান তিনি। এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মৎস্য ক্যাডারের নতুন যোগদান করা ২৫ জন এবং পশুসম্পদ ক্যাডারের ২১ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।