• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Headline
কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছে না পিরোজপুরের নদীগুলোতে এক স্বৈরাচারকে হটিয়েছি, নতুন এক স্বৈরাচার গজিয়ে উঠেছে : নাহিদ ইসলাম প্রস্তুত থাকুন, আগামীর লংমার্চ ঢাকার দিকে: শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরে মিষ্টির দোকান-খাদ্যপণ্য পরিবেশককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা রাজশাহীর বাজারে বেগুনের কেজি ১০০ টাকা, অজুহাত পানি বৃদ্ধি রাজশাহীতে ফ্ল্যাটে নারীসহ আটক সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে ছেড়ে দিয়েছে কচুয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে স্বউদ্যোগে ঝোপঝাড় পরিষ্কার মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার রিয়াদে হামলা করেছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিরা , বিকট বিস্ফোরণ সিএনএনসহ তিনটি সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

‘নাজিরপুরে ছেঁড়া ছাউনির নিচে বেঁচে থাকার লড়াই’ , সাহায্য পেলেন আ. রহমান ফকির

Reporter Name / ২০০ Time View
Update : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

মো. বাবুল শেখ , পিরোজপুর : গণমাধ্যমে অসহায় আ. রহমানের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার পাশে দাঁড়িয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী। মানবিক এ উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে দুর্বিষহ জীবনযাপন করা পরিবারটি এখন একটি নিরাপদ আশ্রয়ের আশা দেখতে শুরু করেছে।
গত ১৬ এপ্রিল একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘নাজিরপুরে ছেঁড়া ছাউনির নিচে বেঁচে থাকার লড়াই’ শীর্ষক প্রতিবেদনে নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নর রামভদ্রা গ্রামের বাসিন্দা আ. রহমান ফকিরের পরিবারের করুণ জীবনসংগ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদীর নজরে এলে তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
জানা গেছে, রামভদ্রা গ্রামের মৃত আ. গনি ফকিরের ছেলে আ. রহমানের পুনর্বাসনের জন্য ঢেউটিন, গৃহনির্মাণের জন্য নগদ সহায়তার চেক এবং শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১১টায় নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব অনুদান ও সহায়তাসামগ্রী আনুষ্ঠানিক ভাবে উপকার ভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী(এমপি)।, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া শাহনাজ তমা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন, নাজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তরিকুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. আ. রাজ্জাক , সেখমাটিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান , সেক্রেটারি কাজী জাকির হোসেন , গনমাধ্যম কর্মী সহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন আ. রহমান। তার বসতঘরটি ছিল অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাউনির ফাঁক দিয়ে ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ত। স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে ভেজা মেঝেতে রাত কাটানো ছিল পরিবারটির নিত্যদিনের বাস্তবতা। একটি নিরাপদ ঘরের অভাবে পরিবারটি প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্যে দিন পার করছিল।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় পরিবারটির নতুন ঘর নির্মাণের পথ সুগম হয়েছে।
এদিকে একই কর্মসূচির আওতায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের মধ্যেও ঢেউটিন, গৃহনির্মাণ সহায়তার অর্থ এবং শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে গৃহনির্মাণের চেক, ঢেউটিন এবং নগদ সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়।
উপকারভোগীদের মধ্যে রয়েছেন হোগলাবুনিয়া গ্রামের মো. ফেরেশতালী শিকদারের ছেলে মো. পান্না মিয়া, চালিতাবাড়ী গ্রামের আউয়াল শেখের ছেলে আবেদ আলী শেখ এবং বুড়িখালী গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে ইমাম হোসেন। তাদের প্রত্যেককে দুই বান্ডিল ঢেউটিন এবং ৬ হাজার টাকা করে গৃহনির্মাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
সহায়তা পেয়ে আ. রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাদের দুর্দশার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরা না হলে হয়তো এত দ্রুত সহায়তা পাওয়া সম্ভব হতো না। তারা সংসদ সদস্য, গণমাধ্যম এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category