• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
Headline
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌ-প্রধানের সাক্ষাৎ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিটসহ বিশেষ সুবিধা যুক্ত করা হবে : বিমান মন্ত্রী শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, সঠিক ব্যবহার শেখাতে হবে: ববি হাজ্জাজ মধ্যস্থতায় মামলা ৬২% কমেছে, এক বছরে বিচার বিভাগে আশার আলো দেখা যাবে : আইনমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের কাজে অসন্তুষ্ট হলে মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা যে কারনে ভাইরাল বিটিএস তারকা জিমিন ট্রাকের নিচে অটোরিকশা চাপা পড়ে প্রাণ গেলো ৩ জনের সুনামগঞ্জে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় কমছে নদ-নদীর পানি

নুহাশপল্লীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

Reporter Name / ৬৬ Time View
Update : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম প্রয়াণ দিবসে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় স্মরণ করেছেন ভক্তরা। রবিবার (১৯ জুলাই) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত ভক্তরা প্রিয় লেখকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে নুহাশ পল্লীতে সমবেত হন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভক্তরা প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের সমাধিস্থল এবং নুহাশ পল্লী ঘুরে দেখেন। অনেকেই পরিবারসহ এসেছেন প্রিয় লেখকের নিজ হাতে গড়া নুহাশ পল্লী দেখতে। অনেকেই লেখকের স্মৃতি নিয়ে আবেগঘন কথা বলছেন একে অপরের সাথে। আবার অনেকের হাতে দেখা যায়, হুমায়ুন আহমেদের লেখা বই। হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিবিজড়িত নুহাশ পল্লী ভক্তদের পদচারনায় ফিরে পায় প্রাণচাঞ্চল্য। দুপুরে মেহের আফরোজ শাওন ও পরিবারের সদস্যরা হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করেন।
মেহের আফরোজ শাওন বলেন, গত ১৪ বছর ধরে আমরা নুহাশপল্লীতেই হুমায়ূন আহমেদের জন্ম বার্ষিকী ও মৃত্যু বার্ষিকী পালন করছি। আমি না থাকলেও আমার সন্তানরা ও সহকর্মী এবং ভক্তরা এ আয়োজন চালিয়ে যাবে। সমাজ বা রাষ্ট্রের কাছে আমার কোনো চাওয়া নেই।
নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের ভক্ত জাকির সেলিম বলেন, হুমায়ূন স্যারের বই খুবই প্রিয়। তার লেখা বই মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তিনি যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন লাখ মানুষের হৃদয়ে। তার স্মরণে এখানে এসেছি। কবর জিয়ারত এবং তার নিজ হাতে গড়া নুহাশ পল্লীতে তার স্মৃতিগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছি। কবিরুল ইসলাম নামের এক ভক্ত বলেন, কথাসাহিত্য হুমায়ূন আহমেদ স্যার আমার খুব প্রিয়। তার অসংখ্য বই আমি পড়েছি। প্রতিবছরই তার মৃত্যুবার্ষিকী ও জন্মবার্ষিকীতে এখানে আসার চেষ্টা করি। স্মরণ করি হুমায়ূন আহমেদ স্যারকে। মন জুড়ানো তার লেখা বই পড়ে তৃপ্তি পাই। আজকে তার মৃত্যুবার্ষিকী এজন্য তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে কোরআনখানি, দোয়া, স্মৃতিচারণা, রচনা পাঠ এবং এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয় নুহাশ পল্লীতে। অনেক ভক্ত হুমায়ুন আহমেদের সৃষ্টি প্রিয় চরিত্র ‘হিমু’ ও ‘রূপা’ সাজেও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দূর দুরন্ত থেকে আসা ভক্তরা নুহাশ পল্লী ঘুরে ঘুরে দেখেন। স্মৃতিচারণ করেন প্রিয় লেখকের।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category