প্রভাত স্পোর্টস: মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানেই নিজের জোড়া গোল করেছেন রায়ার চেরকি। একই পথে হেঁটে নিজের জোড়া পূর্ণ করলেন প্রিমিয়ার লিগের গত মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্লিং হালান্ড। মাঝে গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় ক্রিস্টাল প্যালেস। তবে ৪-১ গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ল ম্যানচেস্টার সিটি।
প্রতিপক্ষের মাঠে নেমে এনজো মারেসকার ম্যানসিটি সবদিক থেকেই দাপট দেখিয়েছে। তাদের ৯টি অন-টার্গেটের বিপরীতে মাত্র একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে প্যালেস। আর সিটির পায়ে বল ছিল ৭০ শতাংশ। প্রথমার্ধের ১৭ মিনিটেই হালান্ডের গোলে প্যালেসের বিপক্ষে লিড নেয় সিটি।
এর আগে অবশ্য ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই প্যালেস ভালো একটি আক্রমণ সাজায়। এডি এনকেটিয়ার কাছের পোস্টে নেওয়া শটটি সিটির ইতালিয়ান গোলরক্ষক দোন্নারুমা আটকে দেন। এর মিনিট চারেকের ব্যবধানে হতাশ হতে হয় সিটিকেও। এলিয়ট অ্যান্ডারসনের জোরালো শট স্বাগতিক গোলরক্ষক ডিন হ্যান্ডারসনের এক হাতে আটকেছেন। ১৭তম মিনিটে অ্যান্তোয়নে সেমেনিওর ক্রস ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে হালান্ড নিখুঁত হেডে ক্রসবার ঘেঁষে জাল কাঁপান।
এ নিয়ে প্যালেসের বিপক্ষে খেলা ছয়টি ম্যাচেই নরওয়েজিয়ান তারকা গোল (মোট ৯টি) পেলেন। যা প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে নির্দিষ্ট দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ২১ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত সিটি। তবে ফিল ফোডেন ফাঁকায় বল পেয়েও ক্রসবারের ওপর দিয়ে মেরেছেন। ফলে সিটির ১-০ লিড নিয়ে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পরেই প্যালেস মাঠে নেমে সিটির রক্ষণে হানা দেয়। যদিও এনকেটিয়ার শট দূরের পোস্ট দিয়ে চলে যায় বাইরে। ৫৪তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান আগের ম্যাচে জোড়া অ্যাসিস্ট করা চেরকি। ডি-বক্সে ফোডেনের পাস ধরে দারুণ দৃঢ়তায় একজনকে কাটিয়ে দুজনের মাঝ দিয়ে শট জালে জড়ান। ৫৬ মিনিটে প্যালেস ব্যবধান কমায় ইয়েরেমি পিনোর নৈপুণ্যে। তবে তার ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফেরার সময় দোন্নারুমার পিঠে লেগে সিটিকে গোল হজম করায়।
তিন মিনিট বাদেই ফের চেরকির গোল, ডি-বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া জোরালো শট একজনের পায়ে লেগে সামান্য দিক পাল্টে প্যালেস গোলরক্ষককে পরাস্ত করে। ৮৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ডও। ফোডেন অনেকটা দূর এগিয়ে ডি-বক্সে পাস বাড়ালে নরওয়ে তারকা কোনাকুনি শটে সেই প্রচেষ্টা সম্পন্ন করেন।