• শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
Headline
হোমনায় দেয়াল ধসে আহত তিন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিলেন ইউএনও দুর্গাপুর দুরন্ত মডেল একাডেমীর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও ক্রেস্ট বিতরন দিল্লির শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সমর্থন সালমান খানের ‘দ্য ওডিসি’ নিয়ে আস্ত এআই ছবি বানাবেন ইলন মাস্ক তিন হাজার বছরের পুরোনো ইরানি গহনা পরে মালোচনার মুখে অভিনেত্রী জেনডায়া ‘তুমবাড ২’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আলিয়া, নিশ্চিত করলেন নির্মাতারা এআইয়ের প্রভাবে কাজ হারিয়ে সবজি বিক্রি করছেন অভিনেতা শু পেং ৩০০ কোটি টাকা আয় অক্ষয় কুমার ও প্রিয়দর্শনের ‘ভূত বাংলা’র প্রয়োজনে বেশি বেতন দিয়ে গার্দিওলাকে কোচ করতে চায় ইতালি কাসেমিরোকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে ইন্টার মায়ামি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লেনদেন সবার জন্য উন্মুক্ত করার সুপারিশ

Reporter Name / ৪৯ Time View
Update : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

প্রভাত অর্থনীতি: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব ধরনের লেনদেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যাতে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাই সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ পান। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এই সুপারিশ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি নীতিমালায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব আয়ের উৎস যেমন বেতন, ফি, অন্যান্য খরচ ও অনুদান শুধু সোনালী ব্যাংকের সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (এসপিজি) মাধ্যমে আদায়ের নিয়ম যুক্ত করে। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এই নীতিমালার ফলে দেশের বিপুলসংখ্যক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি বা মাশুল আদায়ের চাপ এককভাবে সোনালী গেটওয়ের পক্ষে সামাল দেওয়া কঠিন। কোনো কারণে এই গেটওয়েতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে মাশুল আদায়ের প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই এই নীতিমালা বদল করে সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও এমএফএসের জন্য এই সেবা উন্মুক্ত করে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সবার জন্য এই সেবা উন্মুক্ত করা হলে তাতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লেনদেনের ক্ষেত্রে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের একক আধিপত্য কমবে। শিক্ষার্থীরা সোনালী ব্যাংক ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্সপ্রাপ্ত অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে এবং বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমেও ফি জমা দিতে পারবেন। মূলত একক কারিগরি ঝুঁকি কমাতে এবং সেবার মান বাড়াতে এই সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, মাশুল আদায়ের প্রক্রিয়া শুধু একটি গেটওয়েতে সীমাবদ্ধ না রেখে সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেমেন্ট গেটওয়ের জন্য উন্মুক্ত করা প্রয়োজন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিসংক্রান্ত নীতিমালা’ জারি করে। ওই নীতিমালার ৫(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয় কেবল নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে কিংবা সরকারি মালিকানাধীন অন্য কোনো ব্যাংকের গেটওয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক ওই নীতিমালা সংশোধনের প্রস্তাব করেছে।
বর্তমানে দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ১০টি পেমেন্ট সিস্টেমস অপারেটর এবং বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক উন্নত পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা দিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ‘এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ অনেক ক্ষেত্রে সরকারি গেটওয়ের তুলনায় অধিক আধুনিক ও সুবিধাজনক। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে সনাতন ‘ক্রস চেক’–পদ্ধতির বদলে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফার এবং ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার–পদ্ধতি ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। এতে সেবার মান বাড়বে এবং খরচ কমবে। শিক্ষার্থীরা তাদের সুবিধামতো মাধ্যম ব্যবহার করে মাশুল জমা দিতে পারবেন, যা অভিভাবকদের ভোগান্তি কমাবে এবং নগদ টাকার ব্যবহার কমাতে সহায়ক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category