• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে চড়া শীতকালীন সবজির বাজার

Reporter Name / ৬ Time View
Update : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, রাজশাহী: রাজশাহীর বাজারে শীতকালীন বিভিন্ন ধরনের সবজি উঠতে শুরু করলেও কমেনি দাম। টমেটো, শিম, লাল বেগুন, গাজর ও কাঁচা মরিচসহ কয়েকটি সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। তবে আলু, পেঁপে, পুঁইশাক, লালশাক ও লাউসহ কিছু সবজির দাম তুলনামূলক কম।এদিকে সবজির বাজারে মৌসুমি বৈচিত্র্য বাড়লেও ডিম ও মুরগির দামে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। পাশাপাশি মাছের বাজারেও চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে।শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে নগরীর সাহেববাজার মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। বাজারে পুঁইশাক ১০ টাকা, লালশাক ২০ টাকা, আলু ২০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, কাঁচা কলা ৩০ টাকা হালি, লাউ ৩০ টাকা পিস, পটল ৪০ টাকা, কচু ৪০ টাকা, ওল ৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচু লতি ৬০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, সাদা বেগুন ৮০ টাকা এবং ফুলকপি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে লাল বেগুন ১০০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, শিম ১৪০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা এবং টমেটো ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।ক্রেতারা বলছেন, শীতকালীন সবজি বাজারে উঠতে শুরু করায় বাজারে সবজির বৈচিত্র্য বাড়লেও দাম এখনো স্বস্তিদায়ক নয়। বিশেষ করে টমেটো, শিম, বেগুন, গাজর ও কাঁচা মরিচের দাম বেশি হওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।বাজার করতে আসা সাজু শেখ বলেন, ‌‌‘বাজারে শীতের সবজি উঠতে শুরু করেছে। তবে দাম এখনো কমেনি। কিছু সবজি কম দামে পাওয়া গেলেও কয়েকটি সবজির দাম বেশ চড়া। ফলে সব ধরনের সবজি একসঙ্গে কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।’এদিকে ডিমের বাজারেও দাম কমেনি। দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০ টাকা, ফার্মের লাল ডিম ৪৮ থেকে ৫০ টাকা এবং সাদা ডিম ৪৬ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।মুরগির বাজারেও দাম কমার কোনো উল্লেখযোগ্য চিত্র দেখা যায়নি। ফলে সবজি, ডিম ও মুরগি কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের বাজার খরচে বাড়তি চাপ পড়ছে।অন্যদিকে মাছের বাজারেও চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। প্রতি কেজি রুই ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, পাঙাশ ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং চাষের শিং ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।এ ছাড়া টেংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা এবং কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে মৌসুমের শুরু হওয়ায় অনেক সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে কিছু সবজির দাম বেশি রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে সরবরাহ আরও বাড়লে এসব সবজির দাম কমে আসতে পারে।সবজি বিক্রেতা আলাল উদ্দিন বলেন, ‌‘শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। তবে এখনো সবজির সরবরাহ পুরোপুরি বাড়েনি। তাই কিছু সবজির দাম বেশি। সামনে সরবরাহ বাড়লে দামও কিছুটা কমতে পারে।’ডিম ব্যবসায়ী শফিক বলেন, গত এক মাস ধরে ডিমের দাম বাড়তি। অন্যান্য সময় ডিমের দাম বেড়ে কমে যায়। কিন্তু গত এক মাস ধরে ডিমের দাম অপরিবর্তনশীল রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category