• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
ইয়ামাল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা

সৌদি আরবকে বিধ্বস্ত করে সমালোচনার জবাব দিলো স্পেন

Reporter Name / ২ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: বিশ্বকাপে এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সৌদি আরব কোনো এক ম্যাচে ৪ বা তার বেশি গোল খেল। ১৯৯৪ সালে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ অভিষেকের পর থেকে আর কোনো দল তাদের চেয়ে বেশি ম্যাচে ৪ বা তার বেশি গোল হজম করেনি।
১০ মিনিটের সময় গোল করেন ১৮ বছর ৩৪৩ দিন বয়সী লামিনে ইয়ামাল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যাচের প্রথম গোল করা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় তিনি। তাঁর ওপরে আছেন শুধু ১৯৫৮ বিশ্বকাপে গোল করা পেলে (১৭ বছর ২৩৯ দিন)।
সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্পেন এখন টানা ৩২ ম্যাচে অপরাজিত। ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে টানা ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত থাকার পর এটিই তাদের দীর্ঘতম অপরাজিত পথচলা।
১৮ বছর ৩৪৩ দিন বয়সে গোল করে লামিনে ইয়ামাল স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হয়েছেন। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন গাভি, যিনি ২০২২ বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে ১৮ বছর ১১০ দিন বয়সে গোল করেছিলেন।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আক্রমণভাগের ধার নিয়ে ওঠা সব প্রশ্ন উড়িয়ে বিশ্বকাপে গোলখরা কাটিয়েছে স্পেন। শুধু কি তাই? গতি নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ড্রয়ের ধাক্কার পর সৌদি আরবের বিপক্ষে সেই সমালোচনার জবাব তারা দিয়েছে প্রথমার্ধের গোল উৎসবে। দ্বিতীয় ম্যাচে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা জিতেছে ৪-০ গোলে। এটি টুর্নামেন্টে স্পেনের প্রথম জয়।
গ্রুপ এইচে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে ইউরোপের চ্যাম্পিয়নরা। মিকেল ওইয়ারসাবাল প্রথমে লামিনে ইয়ামালের বিশ্বকাপের অভিষেক গোলের যোগান দেন মাত্র দশ মিনিটে। এরপর ওইয়ারসাবাল নিজেই করেন জোড়া গোল। ২১ মিনিটে কর্নার থেকে আসা সুযোগে নিখুঁত শটে জালে বল জড়িয়ে দেন ওইয়ারসাবাল। তিন মিনিট পর আবারও জাল কাঁপান তিনি। দানি ওলমোর অ্যাসিস্টে স্কোর করেন ৩-০।
রিয়াল সোসিয়েদাদের এই ফরোয়ার্ডের সামনে আরও গোলের সুযোগ এসেছিল। একবার তার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, আরেকটি ভালো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তবু সৌদি রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে স্পেন। অন্যদিকে, সৌদি আরব নিজেদের রক্ষণ থেকে বের হতে হিমশিম খেয়েছে। আক্রমণেও কার্যত কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি।
বিরতির সময় ইয়ামাল ও ওইয়ারসাবালকে তুলে নেন স্পেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে। তাতে স্পেনের ছন্দে কোনো প্রভাব পড়েনি। দ্বিতীয়ার্ধেও সৌদি আরবকে নিজেদের অর্ধে আটকে রেখে আধিপত্য বিস্তার করে তারা। বিরতির তিন মিনিট পর মার্ক কুকুরেয়ার জোরালো ভলি ঠেকিয়েছিলেন আল-ওয়াইস। কিন্তু ফিরতি বল দুর্ভাগ্যজনকভাবে আল তামবাক্তির গায়ে লেগে জালে ঢুকে গেলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।
এরপর কিছুটা গতি কমায় স্পেন। তবু বদলি হিসেবে নামা ফেরান তোরেস গোলের ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন। এককভাবে গোলরক্ষকের মুখোমুখি হলেও তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে আবদুল্লাহ আল হামদান সৌদি আরবের পক্ষে একমাত্র অন-টার্গেট শটটি নেন। আর যোগ করা সময়ে তোরেস বল জালে জড়ালেও দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category