• শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
হোমনায় দেয়াল ধসে আহত তিন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিলেন ইউএনও দুর্গাপুর দুরন্ত মডেল একাডেমীর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও ক্রেস্ট বিতরন দিল্লির শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সমর্থন সালমান খানের ‘দ্য ওডিসি’ নিয়ে আস্ত এআই ছবি বানাবেন ইলন মাস্ক তিন হাজার বছরের পুরোনো ইরানি গহনা পরে মালোচনার মুখে অভিনেত্রী জেনডায়া ‘তুমবাড ২’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আলিয়া, নিশ্চিত করলেন নির্মাতারা এআইয়ের প্রভাবে কাজ হারিয়ে সবজি বিক্রি করছেন অভিনেতা শু পেং ৩০০ কোটি টাকা আয় অক্ষয় কুমার ও প্রিয়দর্শনের ‘ভূত বাংলা’র প্রয়োজনে বেশি বেতন দিয়ে গার্দিওলাকে কোচ করতে চায় ইতালি কাসেমিরোকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে ইন্টার মায়ামি

১৫০ হাজির লাগেজ কেটে চুরির দাবি সত্য নয়: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ‘হজ ফ্লাইটে প্রায় ১৫০ জন হাজির লাগেজ কেটে মালামাল চুরি হয়েছে’ এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
সংস্থাটি বলছে, ঢাকা বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটের লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের চুরি বা লাগেজ মিসহ্যান্ডেলিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বুধবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এয়ারপোর্ট সার্ভিসেসের মহাব্যবস্থাপক শাহনূর আহমাদ স্বাক্ষরিত সত্যতা যাচাই ও তদন্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সিসিটিভি ফুটেজ, বডি-ওর্ন ক্যামেরার ভিডিও এবং অফিসিয়াল লগ বুক পর্যালোচনা করে পুরো ঘটনার বিস্তারিত যাচাই করা হয়েছে।
তদন্ত অনুযায়ী, গত ২ জুন জেদ্দা থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইট ‘বিজি ৩১০৪’ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটকে ঘিরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগ ছড়ানো হয়।
তবে বিমান কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই লাগেজ খালাস করা হয়। অবতরণের পর রাত ২টা ৫২ মিনিটে উড়োজাহাজটি চকের অবস্থানে পৌঁছায় এবং মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ব্যাগ খালাসের কাজ শুরু হয়। রাত ৩টা ৫ মিনিটে প্রথম ব্যাগ এবং ৩টা ৫১ মিনিটের মধ্যে মোট ৮৩৬টি লাগেজ ডেলিভারি বেল্টে পৌঁছে দেয়া সম্পন্ন হয় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানোর পুরো প্রক্রিয়া এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি অথরিটির উপস্থিতিতে এবং নিরাপত্তা তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে সিসিটিভি ও বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সৌদি আরব থেকেই অন্তত ২১টি লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় হ্যান্ডলিং স্টাফরা গ্রহণ করেছিলেন।
লাগেজ হারানো বা চুরির অভিযোগের বিষয়ে লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ডেস্কের রেকর্ডেও বড় কোনো অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হয়েছে। মাত্র কয়েকজন যাত্রী তাদের লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়ার কথা মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন। তবে এসব ব্যাগে মূলত জমজমের পানি, শ্যাম্পু, লোশন ও খেজুর ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া একজন যাত্রী তার লাগেজ থেকে মানিব্যাগ হারানোর অভিযোগ করলেও তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেননি বলে জানায় বিমান।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বুকিং লাগেজে তরল পদার্থ, জমজমের পানি কিংবা কিছু প্রসাধনী সামগ্রী বহন নিষিদ্ধ। জেদ্দা বিমানবন্দরে স্ক্যানিংয়ের সময় এসব সামগ্রী ধরা পড়লে নিরাপত্তা বিধি অনুসারে লাগেজ খুলে পরীক্ষা বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়াকেই অনেক সময় ভুলভাবে লাগেজ কাটা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় বলে দাবি তাদের।
এর আগে বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৫০ হাজির লাগেজ কাটার গুরুতর অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেন আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ নামের এক হজযাত্রীর ছেলে। সেখানে তিনি লাগেজ কাটার একটি ছবিও জুড়ে দেন।
তার দাবি, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ৪১৯ হাজি আসেন। পরবর্তী সময়ে প্রায় ১৫০ হাজির লাগেজ কাটা পাওয়া যায়। ওইসব লাগেজ থেকে মূল্যবান জিনিসপত্রও খোয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি। এই কারণে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category