• বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
Headline
অবশেষে ইন্টার মিলানেই থেকে গেলেন আর্জেন্টাইন তারকা লাউতারো মার্টিনেজ খেলার মাঝে বিরতি দিয়ে মেসিকে অভ্যর্থনা জানাবে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এশিয়ান গেমসে সার্ফিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন মান্নান ও ফাতেমা জেলে বসেই এমবাপ্পেকে অপহরণের পরিকল্পনা বুন্দেসলিগার গোলমেশিন হ্যারি কেইন খেলোয়াড় বিক্রি থেকে সর্বোচ্চ আয়ের নতুন রেকর্ড এখন চেলসির নভেম্বরে সিঙ্গাপুরে চার দলের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল- জাপান ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব দেখা যাবে আগামীকাল নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সোনু সুদ শতবর্ষেও ফুরায়নি বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক উত্তমকুমারের জাদু

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অস্ত্র হাতে ভাইরাল ২ যুবক

Reporter Name / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম: বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দলের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে থাকা দুই যুবককে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তারা হলেন- সিরাজুল ইসলাম ও মো. সাদেক। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দুই যুবককে অস্ত্র হাতে দেখা যায়। পুলিশ সূত্র জানায়, একটি ভিডিওতে পাঞ্জাবি ও জিনসের প্যান্ট পরা এক যুবককে অস্ত্র হাতে প্রতিপক্ষকে ধাওয়া করতে দেখা যায়। তার নাম সিরাজুল ইসলাম। তিনি মীরসরাই উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের মির্জাবাড়ির মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।
সিরাজুলের ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অস্ত্রসহ সিরাজের ছবি, ভিডিও দেখেছি। আমাদের পরিবারের সম্মান নষ্ট করে ফেলেছে। তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই দুই বছর ধরে।’অন্য একটি ভিডিওতে টি-শার্ট পরা আরেক যুবককে অস্ত্র হাতে প্রতিপক্ষের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তার নাম সাদেক। তিনি সীতাকুণ্ডের মহালঙ্কা এলাকার মৃত হাসেমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, সিরাজুল ও সাদেক বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তবে এ বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন দুই পক্ষের নেতারা।
আসলাম চৌধুরীর মিডিয়া কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, অস্ত্রধারীদের কেউ আসলাম চৌধুরীর অনুসারী নন। তারা সবাই সালাউদ্দিনের লোক। তাদের মীরসরাই ও চট্টগ্রাম শহর থেকে আনা হয়েছে।
আসলাম চৌধুরীর পক্ষের এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, অস্ত্রধারীরা সবাই আসলাম চৌধুরীর অনুসারী। তারা তার মিছিলেই ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বলেন, অস্ত্রধারীদের শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় সীতাকুণ্ড পৌর সদরের মুন স্টার ক্লাবে কর্মসূচির আয়োজন করেন কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনুসারীরা। একই সময়ে একই ক্লাবে কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তুতি নেন আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরাও। এ নিয়ে দুই দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই পক্ষকে পৃথক সময়ে কর্মসূচি শেষ করার নির্দেশ দেয়। সালাউদ্দিনের পক্ষকে দুপুর ২টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করতে বলা হয়। তবে সকাল ৯টা থেকেই মুন স্টার ক্লাব এলাকায় অবস্থান নেন আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা। সালাউদ্দিনের অনুসারীরা অবস্থান নেন ক্লাব থেকে কিছুটা দূরে হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায়।
দুপুর ১টার দিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষের লোকজন মিছিল নিয়ে হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে ককটেল বিস্ফোরণ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়। মিনিবাস ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের জন্য সালাউদ্দিনের অনুসারীরা আসলাম চৌধুরীর অনুসারীদের দায়ী করেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category