• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
Headline
হোমনায় ডাকাত সন্দেহে গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে দেয়া কালি মুছে ভাইরাল রিকশাচালক সুপারিশকৃত বিচারকদের হবে ডোপ টেস্ট, বেঁধে দেয়া হলো সময় ভোটারের হাতের কালি শুকানোর আগেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ‘কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে’: কৃষিমন্ত্রী এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ৩–৬ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হবে: মাহদী আমিন সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে ডিএসসিসির বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ক্ষতিকর উপাদানে তৈরি নকল ও ভেজাল পণ্যে বাজার সয়লাব শিক্ষার্থীদের ফলাফলের পাশাপাশি পাঠদানের কার্যকারিতাও মূল্যায়ন করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

রাজশাহীর বাজারে চড়া মাছ-মুরগির দাম, স্বস্তি সবজিতে

Reporter Name / ৪ Time View
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, রাজশাহী: রাজশাহীর বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। ব্রয়লার, লেয়ার ও দেশি মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের মুরগির দাম বেশি থাকায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। অন্যদিকে, বাজারে সবজির সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকায় অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মাছের বাজারে চড়া দাম এবং ডিমের দামে তেমন পরিবর্তন না থাকায় নিত্যপণ্যের বাজারে পুরোপুরি স্বস্তি ফিরেনি। শনিবার (১০ অক্টোবর) নগরীর সাহেববাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি প্রায় ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, মুরগির খাবারের দাম ও লালন-পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুরগির মাংসের বাজারদরে এর প্রভাব পড়েছে। ফলে আগের তুলনায় বেশি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এতে সীমিত আয়ের মানুষের সংসারের ব্যয় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে সবজির বাজারে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। শসা প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, আলু ২০ থেকে ২৫, পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০, পটল ৩০ থেকে ৩৫, ঢেঁড়স ৩৫ থেকে ৪০, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ এবং বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাঁচামরিচ ৯০ থেকে ১০০ এবং শিম ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, সবজির সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকায় অধিকাংশ সবজির দামে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি। তবে মৌসুমি সবজির সরবরাহ ও পরিবহন ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে কোনো কোনো পণ্যের দামে কিছুটা ওঠানামা হচ্ছে। ফলে সবজির বাজারে আপাতত বড় ধরনের চাপ না থাকলেও মুরগি ও মাছের দামে ক্রেতাদের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
ডিমের বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজারে দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০ টাকা, ফার্মের লাল ডিম ৪৮ থেকে ৫০ টাকা এবং সাদা ডিম ৪৪ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, মাছের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। প্রতি কেজি রুই ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০, তেলাপিয়া ১৭০ থেকে ২০০, পাঙাশ ১৭০ থেকে ২০০, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০ এবং চাষের শিং ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া টেংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ এবং কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার করতে আসা নাসিমা বেগম বলেন, ‘সবজির দাম মোটামুটি সহনীয় থাকলেও মুরগি ও মাছ কিনতে বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। সংসারের অন্যান্য খরচও বেড়েছে। তাই প্রয়োজন থাকলেও অনেক সময় মাছ-মাংস কেনা সম্ভব হচ্ছে না।’
মুরগি বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মুরগির খাবারসহ খামারের বিভিন্ন খরচ বেড়েছে। এসব কারণে মুরগি কিনতে আগের চেয়ে বেশি টাকা লাগছে। পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়েও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।’
সবজি বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, ‘বাজারে এখন সবজির সরবরাহ মোটামুটি ভালো। এ কারণে অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সরবরাহ কম-বেশি হলেও কিছু সবজির দাম সামান্য ওঠানামা করে। আপাতত সবজির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। তবে শীতকালীন সবজির দাম কিছুটা বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category