• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
স্বাস্থ্যসেবায় এমএসএফের সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান হুমায়ুন কবিরের র‌্যাব বিলুপ্ত হলেও বিচারাধীন মামলা চলবে: উইং কমান্ডার ইন্তেখাব ঘনঘন তারিখে কষ্ট হয়, আইনজীবীর ফি দিতে পারি না গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রত্যাশা ছিল, হলো না : নাহিদ ইসলাম প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক তথ্যের অভাব রয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে জরিপ দরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: নুর মূলহোতা ৫৩ লাখ, অন্যরা ১০-১৪ লাখ করে ভাগ করে নেয় চোখের জলে স্বামীকে শেষ বিদায় জানালেন দীপু মনি, ফিরলেন কারাগারে ২২ আগস্ট থেকে কলেরার টিকা, লক্ষ্য ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্যাসের অভাবে ২১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, আটটি আংশিকভাবে চালু

ওয়ান স্টপ সার্ভিসে সব বৈধ এজেন্সি মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ চায় বায়রা

Reporter Name / ১১ Time View
Update : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেটমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে সব বৈধ এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা)। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত করার কথা বলে আসছি। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে বিভিন্ন মহল ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে- আবারও মাত্র ২৫টি এজেন্সিকে কেন্দ্র করে একচেটিয়া নিয়োগ ব্যবস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে। তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ৫ মিলিয়ন রিঙ্গিত বা প্রায় ১৭ কোটি টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কর্মীপ্রতি ৫ হাজার রিঙ্গিত সিন্ডিকেট ফি আদায়ের পরিকল্পনার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আমরা এসব গুরুতর অভিযোগের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। অভিযোগগুলো সত্য হলে এর চূড়ান্ত বোঝা বহন করবেন সাধারণ কর্মীরা এবং তাদের অভিবাসন ব্যয় আবারও কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ফখরুল ইসলাম বলেন, সাবেক সরকারের সময়ে যে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট তৈরির অভিযোগ উঠেছিল, একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কি আবারও বর্তমান সরকারকে প্রভাবিত করে একই ধরনের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে? অতীতের সিন্ডিকেট, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে যদি ৪৯টি লাইসেন্স বাতিল ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে আবারও সিন্ডিকেট কেন? তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ অনুযায়ী আগে যেখানে সিন্ডিকেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা এবং কর্মীপ্রতি প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ ছিল, এখন যদি ১৭ কোটি টাকা ও কর্মীপ্রতি ৫ হাজার রিঙ্গিত নেওয়ার অভিযোগ সত্য হয়-তাহলে কি আগের চেয়েও শক্তিশালী সিন্ডিকেট প্রতিষ্ঠার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে না? সিন্ডিকেটভিত্তিক ব্যবস্থাই যদি আবার চালু হয়, তাহলে পূর্বের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্দেশ্য কী?
১) সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সমান সুযোগ : মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণকারী নেপালসহ অন্যান্য সোর্স কান্ট্রির মতো বাংলাদেশের সব বৈধ ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দিতে হবে। অন্যান্য সোর্স দেশের জন্য এক নিয়ম আর বাংলাদেশের জন্য ভিন্ন নিয়ম-এটি আমাদের জন্য বৈষম্যমূলক এবং জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন। ২) বৈষম্যমূলক এজেন্সি সিলেকশন বন্ধ করা : ২৫, ৫০ বা ১০০টি এজেন্সির হাতে পুরো শ্রমবাজার কুক্ষিগত করা যাবে না। কোনো এজেন্সি তালিকা প্রয়োজন হলে তা হতে হবে প্রকাশ্য, স্বচ্ছ, যৌক্তিক এবং সকল বৈধ এজেন্সির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নীতিমালার ভিত্তিতে। ৩) বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সমঝোতার বিতর্কিত ধারা সংশোধন করতে হবে। বাংলাদেশের কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাবে তা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ বাছাই করবে-এ ধরনের বিধান সংশোধন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ থেকে কারা কর্মী পাঠাবে তা বাংলাদেশ সরকার নির্ধারণ করবে অথবা নিয়োগকর্তা ঠিক করবে। ৪) মালয়েশিয়া সরকার যদি একান্তই সীমিত সংখ্যক লাইসেন্সের মাধ্যমে কর্মী নিতে চায়, তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করে ওয়ান স্পট সার্ভিস চালু করা যেতে পারে। যাতে সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল-এর মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পাবে, বোয়েসেল প্রয়োজনীয় তদারকি ও এনওসি প্রদান করবে। সংশ্লিষ্ট এজেন্সি নিজ নামে বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন করতে পারবে। সরকার নির্ধারিত যৌক্তিক সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করা যেতে পারে। ভিএফএস যদি বিভিন্ন দেশের ভিসা সেবা সারা দেশের মানুষের জন্য দিতে পারে, তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল-ও একটি স্বচ্ছ ওয়ান স্টপ সার্ভিস পরিচালনা করতে পারবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। ৫) কম খরচে কর্মী প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে : বিএমইটির-এর মাধ্যমে স্বচ্ছ কর্মী ডাটাব্যাংক তৈরি করতে হবে। সরকার নির্ধারিত যৌক্তিক অভিবাসন ব্যয় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে তিন কিস্তিতে গ্রহণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে; শক্তিশালী সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। অনুষ্ঠানে বায়রার সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বক্তব্য দেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category