• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
এবার ক্ষমা চেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে তারেক রহমান সরকারের দেশ গড়ার প্রচেষ্টায় জোরালো সমর্থন দেবে জাপান জাতীয় দলের একঝাঁক তারকা ক্রিকেটার নিয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে ওয়ালটন হাসপাতালে পার্কিংয়ের দাবিতে ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তী রোগীর স্বজনদের ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে পাকিস্তানকে পাত্তাই দেয়নি শ্রীলঙ্কা ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত না হলে ডায়ালিসিসের মিছিল থামবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জাম শুল্কমুক্ত করা হয়েছে’ আইজিপির বক্তব্য ‘সময়োপযোগী’: পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন চাকরির মেলায় এলেই চাকরি হয়ে যাবে এটি অনেকের ভুল ধারণা: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী লিবিয়া থেকে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ১৭১ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি

গবেষণাকে পদোন্নতির হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: গবেষণাকে কেবল ডিগ্রি অর্জন কিংবা পদোন্নতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে দেশের স্বাস্থ্য খাতের নীতি ও কর্মসূচি পরিবর্তনের কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত। তিনি বলেছেন, গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা তখনই আসে, যখন এর ফলাফল সাধারণ মানুষের জীবন বদলায় এবং জাতীয় নীতিমালায় পরিবর্তন আনে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ২২ সপ্তাহব্যাপী গবেষণা পদ্ধতিবিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি মূল প্রবন্ধও উপস্থাপন করেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হয়, যা অত্যন্ত ক্লান্তিকর। তবে প্রতিকূল পরিবেশেও চিকিৎসকদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে যথাযথ গবেষণা পরিকল্পনা করতে পারলে তা স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।
নিজের দীর্ঘ গবেষণাজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ড. এম. এ. মুহিত বলেন, অতীতে অন্ধত্ব দূরীকরণ এবং সেরিব্রাল পলসিতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে কমিউনিটিভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নীতিগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে হাজারো শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
গবেষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু বড় নমুনা বা বিপুলসংখ্যক ভেরিয়েবল ব্যবহার করলেই ভালো গবেষণা হয় না। গবেষণার মূল প্রশ্ন চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেটির সমাধানের সুনির্দিষ্ট উপায় খুঁজে বের করতে হবে। গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে নীতিনির্ধারক ও সরকারের সঙ্গে কাজ করা গেলে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মানও বহুগুণ উন্নত করা সম্ভব।
চিকিৎসকদের গবেষণায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পুনর্গঠন ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ভাইরাল হেপাটাইটিস ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মানসম্মত গবেষণার বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মাজহারুল শাহীন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও সোসাইটি অব মেডিসিনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category