• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
এবার ক্ষমা চেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে তারেক রহমান সরকারের দেশ গড়ার প্রচেষ্টায় জোরালো সমর্থন দেবে জাপান জাতীয় দলের একঝাঁক তারকা ক্রিকেটার নিয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে ওয়ালটন হাসপাতালে পার্কিংয়ের দাবিতে ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তী রোগীর স্বজনদের ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে পাকিস্তানকে পাত্তাই দেয়নি শ্রীলঙ্কা ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত না হলে ডায়ালিসিসের মিছিল থামবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জাম শুল্কমুক্ত করা হয়েছে’ আইজিপির বক্তব্য ‘সময়োপযোগী’: পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন চাকরির মেলায় এলেই চাকরি হয়ে যাবে এটি অনেকের ভুল ধারণা: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী লিবিয়া থেকে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ১৭১ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি

চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার এ সুসম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে চীন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে ড. লিউ ইউইন বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ এবং সামগ্রিক সামর্থ্য বৃদ্ধিতে চীন সরকারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’ আইজিপি অসতর্কতাবশত এমন কথা বলেছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’ সোমবার রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘উনি (আইজিপি) সহজ–সরল মানুষ। আইনের কঠোর প্রয়োগের বিষয়ে বলতে গিয়ে অসতর্কতাবশত বলে ফেলেছেন। এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স। সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না, এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, কাস্টডিয়াল ডেথ (পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু) সহ্য করবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এ পর্যন্ত ক্রসফায়ারে মৃত্যু এবং হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন এবং আইনের যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার যা যা দরকার, সব করবে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, যে বিএনপি দীর্ঘদিন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।
সোমবার ‘সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে’— আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের এই বক্তব্যের পরপর তাৎক্ষণিকভাবে জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ জানায়।
আইজিপির বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার মধ্যে সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর একটি ব্যাখ্যা দেয়। তাতে বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে তিনি শব্দটি ব্যবহার করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category