• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
Headline
মায়েদের নিয়ে পিরোজপুরে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ঢাকা থেকে খুনি ভাড়া করে এনে উপজেলা বিএনপি সভাপতিকে হত্যা, নেপথ্যে কারা বন্যার্তদের সহযোগিতায় গাইবেন রুনা লায়লা প্রিয় দলের জয়ের সাথে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে মেলাতে নারাজ তানজিন তিশা শৃঙ্খলাজনিত কারণে মাইলস্টোন থেকে টিসি দেওয়া হয়েছিল সুহিকে রথযাত্রার অনুষ্ঠানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন মির্জা ফখরুল শিশু ইয়ামালের সঙ্গে লাজুক মেসির সেই বিখ্যাত ছবিটি কীভাবে তোলা হয়েছিল শরণখোলায় দম্পতির লাশ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা, ‘আমাদেরকে মাফ করে দিও’ বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী দেশ চীন হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন: শামা ওবায়েদ

Reporter Name / ৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সব ধরনের সদিচ্ছা নিয়েই ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আশা করব, শেখ হাসিনাসহ যেসব আসামি ভারতে অবস্থান করছেন এবং বাংলাদেশে যাদের বিচার হয়েছে বা বিচার হওয়া প্রয়োজন, তাদের ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার যে বারবার যোগাযোগ করছে ও চিঠি দিচ্ছে, ভারত সেগুলোর জবাব দেবে। কূটনৈতিক চ্যানেলে যোগাযোগ আরও ত্বরান্বিত করে তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে বলে তিনি মনে করেন না। দুই দেশের সম্পর্ক তার নিজস্ব জায়গায় থাকবে। কারণ, একটি দেশের সঙ্গে আরেকটি দেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে যোগাযোগ ও সংলাপ চলমান থাকবে। আপনারা দেখেছেন, বিমসটেকের একটি বৈঠকে আমাদের উপদেষ্টা সফর করছেন। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, সেটি অব্যাহত থাকবে।
তবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও বাংলাদেশের ইতিহাসের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জুলাই মাসে এটি বলতেই হবে-যারা রক্ত দিয়েছেন, যারা মারা গেছেন এবং যারা আহত অবস্থায় আছেন, তাদের পরিবারের জন্য একটি সমাপ্তি প্রয়োজন। তারাও দেখতে চান, যারা তাদের সন্তানদের হত্যা ও আহত করেছে, তাদের বিচার হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে এবং আমরা চাই, যত দ্রুত সম্ভব এসব প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হোক।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে গেছেন। এখন জুলাই মাসে দাবি আরও জোরালো হচ্ছে-যাদের সাজা হয়েছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দেশের মাটিতে তাদের সাজা কার্যকর হতে দেখতে চান বাংলাদেশের মানুষ। তিনি বলেন, আমরা একাধিকবার আপনাদের জানিয়েছি যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিষয়টি উল্লেখ করেছেন এবং আইনি প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করেছেন। যেহেতু সাজা হয়ে গেছে, তাই একজন আসামির আইনগতভাবে আত্মসমর্পণের আর কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং, তিনি যখনই বাংলাদেশে আসবেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হবে-এটাই আইনগত প্রক্রিয়া।
শামা ওবায়েদ বলেন, এখন তিনি কীভাবে আসবেন? প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই আমরা যোগাযোগ শুরু করেছি। শেখ হাসিনার মতো আসামি এবং হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদের কেউ কেউ ভারতে অবস্থান করছেন। তারা কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী হলে এর নির্দিষ্ট আইনগত নিয়ম ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া রয়েছে। এই দুটো অনুসরণ করেই হয়তো তিনি দেশে ফিরবেন এবং দেশে আসার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেপ্তার হবেন।
শেখ হাসিনার ট্রাভেল ডকুমেন্ট কীভাবে দেওয়া হবে-এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাসপোর্ট ও ভিসাসংক্রান্ত বিষয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখে। তাই এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই ভালোভাবে বলতে পারবে, তার কী ধরনের ভ্রমণ নথি প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, সাধারণভাবে আমি যতটুকু বুঝি, এ ক্ষেত্রে ভারত সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। এখানে ভারত সরকারের একটি ভূমিকা রয়েছে। প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ভারত সরকার যদি প্রক্রিয়াটি দ্রুত করে এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ ত্বরান্বিত করে, তাহলে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ব্যবস্থা হবে। তিনি আরও বলেন, একজন ব্যক্তির এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার জন্য এমন একটি ভ্রমণ নথি প্রয়োজন হয়, যাতে ছবি থাকে এবং প্রমাণ করা যায় যে ওই ব্যক্তিই সেই ব্যক্তি। এ ধরনের নথি ভারত সরকার বা বাংলাদেশ সরকার দিতে পারে। তবে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category