• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে র‍্যাব-৮-এর টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত প্রবীণদের সেবায় পিরোজপুরে এমওইউ ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত ভাঙা ঘরে মানবেতর জীবন,মরিয়ম বেগমের অসহায় দিনযাপন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে গুলিতে তিনজন নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ছররা গুলি ছুড়েছেন, প্রশ্ন উঠেছে কার আদেশে গুলি হলো ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন সাবেক সেনাপ্রধান আলোচনার সুযোগ দিতেই ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছেন ট্রাম্প: মার্কিন রাষ্ট্রদূত বৃষ্টি ও বর্ষাকালীন দুর্যোগ : পাকিস্তানে এক মাসে ১০৭ জনের মৃত্যু জার্মানিতে মিছিলে হামলা: সন্দেহভাজনকে গুলি করে হত্যা করল পুলিশ নতুন অর্থবছরে তামাক খাত ও বড় কর মামলা নিষ্পত্তিতে জোর এনবিআরের

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ছররা গুলি ছুড়েছেন, প্রশ্ন উঠেছে কার আদেশে গুলি হলো

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: এত দিন বিতর্ক চলছিল। অবশেষে জানা গেল শিক্ষার্থীদের সংসদ অভিযান ঠেকাতে নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর এক জওয়ান ছররা গুলি (পেলেট) চালিয়েছিলেন। র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (র‍্যাফ) ওই জওয়ান অন্তত ৭টি ছররা গুলি চালিয়েছিলেন বলে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আধা সামরিক বাহিনী সিআরপিএফের প্রাথমিক তদন্তে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক তদন্তের পর সিআরপিএফ দেখেছে, ৭টির মধ্যে ২টি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, ৫টি আন্দোলনকারীদের আঘাত করে। তবে সিআরপিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি।
কয়েক দিন ধরেই পেলেটের আঘাতে আহত আন্দোলনকারীদের নিয়ে চর্চা চলছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আহত এক আন্দোলনকারীকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এমন আহত আরও আছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমও আহত আন্দোলনকারীদের ছবি ছাপিয়েছে। সাক্ষাৎকার নিয়েছে।
লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠিও লিখেছেন। জানতে চেয়েছেন, আন্দোলনকারীদের ওপর কেন ছররা গুলি চালানো হলো এবং সেই গুলি ছোড়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়েছিলেন কি না।
রাহুল জানতে চেয়েছেন, অমিত শাহ ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ না দিলে কে দিয়েছিলেন? পুলিশের সঙ্গে মিশে সাধারণ পোশাকে যাঁরা ছিলেন, যাঁরা নির্বিচার লাঠি ও ব্যাটন চালিয়েছেন, তাঁরাই–বা কারা? পুলিশ, নাকি স্বেচ্ছাসেবী? কে তাঁদের ওভাবে সাদাপোশাকে অত্যাচার করতে দিয়েছে? গত রোববার সেই চিঠি তিনি এক্সে পোস্ট করেছেন।
রাহুলসহ বিরোধীরা আগেই দাবি জানিয়েছিলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর অত্যাচারের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদে বিবৃতি দিতে হবে।
ছররা নিয়ে বিতর্ক শুরুর পর দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, তারা পেলেটগান ব্যবহার করেনি। তাহলে কারা সেই গুলি চালিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়নি। তখন জানা গিয়েছিল, সিআরপিএফ এ বিষয়ে তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে র‍্যাফকে।
শিক্ষার্থীরা যন্তর মন্তর ছেড়ে যে যাঁর ঘরে ফিরে গেছেন। তবে বিভিন্ন স্থান থেকে তাঁদের ওপর আক্রমণের খবর আসছে। দিল্লি পুলিশও সক্রিয়। আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে পোস্ট দিয়েছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মকে এ বিষয়ে নোটিশও পাঠানো হয়েছে। আপত্তিকর ভিডিও, পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের ওপর জারি করা সব মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহারের দাবি ছাত্রনেতারা জানিয়েছিলেন। দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং তা মেনেও নিয়েছিলেন। ছাত্রনেতারা তা ঘোষণাও করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, তেমন কোনো সরকারি নির্দেশ এখনো তাঁরা পাননি।
দিল্লিফেরত শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন রাজ্যে হামলার খবর আসছে। উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে হিন্দুত্ববাদী এক সংগঠন হিন্দু বীর সেনার এক কর্তা দুই ছাত্রকে চড় মারছেন—এমন এক ভিডিও প্রচারিত হয়েছে। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এর আগে আটটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কারণ, কেউ অভিযোগ জানায়নি।
আরেক ব্যক্তির অভিযোগ, যন্তর মন্তরে বিনা পয়সায় খাবার বিলি করেছিলেন বলে পুলিশ পরিচয় দিয়ে কয়েকজন তাঁকে আটক করে। চোখ বন্ধ করে মুসৌরি নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদ করে পরে ছেড়ে দেয়। পুলিশ এ অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category