• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
কর কর্মকর্তারা বিনা বাধায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন : এনবিআর ভারতের অন্য তিন সরবরাহকারীর তুলনায় আদানির বিদ্যুতের দাম ৫৯ শতাংশ বেশি পদ্মা সেতু চালুর পর যাত্রী কমছে যশোর বিমানবন্দরে , বন্ধ হচ্ছে ফ্লাইট কিংবদন্তি অভিনয়শিল্পী, পরিচালক ও রাজনীতিবিদ সারাহ বেগম কবরীর ৭৬তম জন্মবার্ষিকী আজ ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় ইংল্যান্ড মেসিকে টপকে গোল্ডেন বুটেও এগিয়ে এমবাপে ওমানে বাংলাদেশ নারী হকি দল চ্যাম্পিয়ন পেলেকে ছাড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ওলিসে ১০ গোলের আনন্দে এমবাপ্পের রেকর্ড, সাকার হ্যাটট্রিক বিশ্বকাপের ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ফিফার বিশেষজ্ঞরা

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আলোচনায় মেসি- ইয়ামাল

Reporter Name / ১০ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: নিউ জার্সিতে রবিবার রাতের এই ফাইনালের আগে আলোচনায় মেসি -ইয়ামাল। আপনি চাইলেই ফাইনালকে ‘লা মাসিয়া ডার্বি’ও বলতে পারেন। কেন? একটি স্কোরলাইন বলা যাক। স্পেন ৮: আর্জেন্টিনা ১। না, বিশ্বকাপ ফাইনালের আনুমানিক স্কোরলাইন নয়। বার্সার ফুটবল–খামার ‘লা মাসিয়া’র কয়জন খেলোয়াড় এবারের ফাইনালে খেলছেন, সেটার হিসাব এটি।
স্পেন দলে লা মাসিয়া থেকে উঠে আসা খেলোয়াড় আটজন—লামিনে ইয়ামাল, ভিক্টর মুনিয়োজ, পাউ কুবারসি, গাভি, দানি ওলমো, এরিক গার্সিয়া, অ্যালেক্স গ্রিমালদো ও মার্ক কুকুরেয়া। আর্জেন্টিনা দলে শুধু লিওনেল মেসি।
মুনিয়োজ, কুকুরেয়া, গ্রিমালদো ও মেসি বার্সার ফুটবল–খামারে বেড়ে উঠলেও এখন অন্য ক্লাবে। বাকি পাঁচজন বর্তমানে বার্সায়। তবে সবার শিকড়ের ঠিকানা একটাই—লা মাসিয়া। ফাইনালে এই ‘শিকড়’ই স্পেনকে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ১৬ বছর আগের সেই সোনালি স্মৃতিতে।
২০১০ বিশ্বকাপ ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন স্পেন দলের লা মাসিয়া গ্র্যাজুয়েট ছিলেন ৯ জন—ভিক্টর ভালদেজ, কার্লোস পুয়োল, জেরার্ড পিকে, সের্হিও বুসকেতস, জাভি, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, সেস্ক ফ্যাব্রেগাস, পেদ্রো ও পেপে রেইনা।
এবার একটু ভিন্ন প্রেক্ষাপট। লা মাসিয়ার ইতিহাসে সেরা সন্তানটি খেলবেন স্পেনের বিপক্ষে। তাতে অবশ্য একটি বিষয় নিশ্চিতও হয়ে গেল। ফাইনালে আর্জেন্টিনা–স্পেনের মধ্যে যে দলই বিশ্বকাপ জিতুক—অন্তত একটি পদক লা মাসিয়ার সন্তানের গলায় শোভা পাবেই। সেটা হোক মেসি কিংবা স্পেন দলের বাকি ৮ জন। ব্যাপার আছে আরও একটি। এই ফাইনাল আসলে লা মাসিয়ার অতীতের সঙ্গে বর্তমানের লড়াইও। লিওনেল মেসি এবং লামিনে ইয়ামাল!
১৩ বছর বয়সে লা মাসিয়ায় ঢুকে ১৭ বছর বয়সে বের হয়েছিলেন মেসি। বাকিটা সবারই জানা। কোচ পেপ গার্দিওলার অধীনে মেসি, জাভি, ইনিয়েস্তারা মিলে সর্বজয়ী বার্সা হয়ে উঠেছিলেন। ২০২১ সালে বার্সা ছেড়ে যাওয়া মেসি তারপর এ নিয়ে দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবেন। মেসি যদি হন লা মাসিয়ার সোনালি অতীত, ইয়ামাল তাহলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। স্পেন ও বার্সার তরুণ প্রজন্মের পতাকা ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের হাতে। অর্থাৎ দুটি আলাদা যুগ একটি ফুটবল–খামারের মোহনায় মিলে ফাইনালে মুখোমুখি হবে।
বার্সেলোনার সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার তাই গর্ব লাগাই স্বাভাবিক। সেই গর্ব নিয়েই লাপোর্তা বলেছেন, ‘মেসি হলেন অতীত ও বর্তমান। লামিনে হলো বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। বার্সা ও লা মাসিয়া নিয়ে আমরা গর্বিত।’
নিউ জার্সির ফাইনালে তাই যখন শেষ বাঁশি বাজবে, সেখান থেকে হাজার মাইল দূরে থাকবে এক নীরব বিজয়ী। যে কথা বলতে পারে না, পারে না নড়াচড়া কিংবা নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতেও। সেটা আসলে ধূসর রঙের এক ভবন। সামনে কয়েকটি গাছপালা এবং মনোমুগ্ধকর কিছু মাঠ। বার্সার সমর্থকেরা বলেন, ভবনও নয়, সেটা আসলে একটা স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন থেকেই বাস্তবের পৃথিবীতে পা রেখেছেন মেসি, ইয়ামালরা। নাম তার লা মাসিয়া। এবারের বিশ্বকাপ ফাইনালে এই খামারের নামটি ঘুরেফিরে তাই সামনে আসবেই। কারণ, ফাইনাল তো এক অর্থে লা মাসিয়ার অতীত ও বর্তমানের মধ্যে ডার্বি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category