• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
Headline
ইসরায়েলে সমন্বিত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে কী আলোচনা হলো ট্রাম্পের দূতদের হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পিছু হটবে না ইরান মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মিসরের জনপ্রিয় নারী টিভি উপস্থাপকসহ ১২ জনের ফাঁসির আদেশ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর বন্ধ ইন্দোনেশিয়ার প্রধান বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ওমান উপসাগরে ডুবে গেলো ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজসহ ছয় জাহাজে হামলা বিপ্লবী গার্ডের এনবিআর আন্দোলনে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ গাবতলী-দাশেরকান্দি রুটের মেট্রো প্রকল্প উঠছে একনেকে ঋণ পরিশোধের ঝুঁকি কমাতে বন্ড পুনঃক্রয় কার্যক্রম চালুর পরামর্শ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের

গাবতলী-দাশেরকান্দি রুটের মেট্রো প্রকল্প উঠছে একনেকে

Reporter Name / ১ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত অর্থনীতি: রাজধানীর গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত নতুন মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদন পেলে বর্তমান সরকারের আমলে নতুন কোনো মেট্রোরেল প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।
‘এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট)’ নামে প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার। এটি বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ রাখা হয়েছে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মোকছেদ আলী জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপনের কথা রয়েছে। সেখানে অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মেট্রোরেল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) তথ্য বলছে, গাবতলী থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে মাটির নিচ দিয়ে। এরপর আফতাবনগর সেন্টার থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে উড়ালপথ।
পুরো রুটে থাকবে ১৫টি স্টেশন। এর মধ্যে ১১টি পাতাল এবং চারটি উড়াল। গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, রাসেল স্কয়ার, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাবনগর, আফতাবনগর সেন্টার, আফতাবনগর পূর্ব, নাসিরাবাদ ও দাশেরকান্দি— এই করিডরে স্টেশনগুলো নির্মাণ করা হবে। এর ফলে রাজধানীর পশ্চিম অংশের গাবতলী থেকে কেন্দ্রীয় ও পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর সঙ্গে সরাসরি দ্রুত গণপরিবহন যোগাযোগ তৈরি হবে।
প্রকল্পটির জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ঋণ পাওয়ার বিষয়টি এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। তবে বৈদেশিক অর্থায়নের অপেক্ষায় প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ আটকে রাখতে চায় না ডিএমটিসিএল।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, ভূমি অধিগ্রহণে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগতে পারে। এই সময়ের মধ্যে দরপত্রসহ অন্যান্য প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হবে। এরপর শুরু হবে মূল নির্মাণকাজ।
প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব জানান, ভূমি অধিগ্রহণের অর্থ সরকার দেবে। ফলে ঋণ পেতে সময় লাগলেও প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। শুধু টানেল নির্মাণেই প্রায় পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। তাই প্রকল্পের শুরুতেই এই কাজ হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমেধ্যে কয়েকটি প্যাকেজের দরপত্র প্রক্রিয়াও এগিয়েছে। সিপি-১ থেকে সিপি-৪ এর চূড়ান্ত দরপত্রের নথি প্রস্তুত হয়েছে এবং এডিবির সম্মতিও পাওয়া গেছে। সিপি-৬ ও সিপি-৭ এর নথি পর্যালোচনা চলছে। এ ছাড়া সিপি-৮ ও সিপি-৯ এর দরপত্রের নথিও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category