• শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

তিতাসে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে অতর্কিত হামলা, বিএনপি নেতাসহ আহত ৪

Reporter Name / ২০ Time View
Update : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

মো. বিল্লাল মোল্লা, কুমিল্লা উত্তর : কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নির্বাচনী উঠান বৈঠক চলাকালে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের পোড়াকান্দি গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফরিদ সরকারসহ চারজন আহত হয়েছেন।
হামলায় আহতরা হলেন—ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফরিদ সরকার (৬৬), মোহাম্মদ আসলাম মিয়া (৬৪), মোহাম্মদ আব্দুল রশিদ সরকার (৭৩) ও মো. খোকন (৫৫)।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী পক্ষের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের পূর্ববিরোধ রয়েছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মামলাও চলমান রয়েছে বলে জানা যায়। ওই মামলা তুলে না নেওয়াকে কেন্দ্র করেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় আবু আকাশ (৪০), বিল্লাল (৩০), নুরনবী (২৫), নূরইসলাম (২০), রাকিব (১৮) ও তাহের (৪২)-সহ কয়েকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে অতর্কিতে হামলা চালান। এ সময় রামদা, চাপাতি ও ছুরি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
হামলার আকস্মিকতায় বৈঠকস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ছুটে যান এবং আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফরিদ সরকার বলেন, “পূর্বশত্রুতা ও মামলা তুলে না নেওয়াকে কেন্দ্র করে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এতে আমরা চারজন গুরুতর আহত হয়েছি। এ ঘটনায় শিগগিরই থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
এদিকে, ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই হামলার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অনেকেই মন্তব্য করেন, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে যদি এ ধরনের সংঘাত ও হানাহানি শুরু হয়, তাহলে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যায়।
স্থানীয় সচেতন মহল নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category