• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
Headline
টাঙ্গাইলের নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হেমায়েতপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের পর যান চলাচল স্বাভাবিক বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন রেনেগেডসের জার্সিতে মাঠে নামবেন মুস্তাফিজ জানুয়ারিতে বাংলাদেশে আসছে ভারত, সম্ভাবনা ‘শতভাগ’ নেপাল প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন ১০ ক্রিকেটার চ্যাম্পিয়নস লিগে এমবাপের রেকর্ড ভাঙলেন ইয়ামাল নিলামে উঠছে মেসিদের সেই বিশ্বকাপ ট্রফি শীর্ষস্থানের কোনো মানে নেই, চ্যাম্পিয়ন হবে শুধু একটি দল : পিএসজি কোচ মাঠে ফুটবলারের মৃত্যুতে সমবেদনা জানালেন মেসি-এমবাপে মানুষের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ এন্ড্রু কিশোর

ভোলায় জেলের জালে ধরা পড়লো ২৪ কেজি ওজনের ব্ল্যাককার্প

Reporter Name / ৯৮ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, ভোলা : ভোলার সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে ২৪ কেজি ওজনের একটি ব্ল্যাককার্প ধরা পড়েছে। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাছটি তালতলী (ইলিশা) মাছঘাটে আনা হলে সেটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরে নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।
মাছঘাট সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার জেলে সুলতান সরদার শুক্রবার দুপুরে জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে জাল ফেলেছিলেন। জাল তোলার সময় বিশাল আকৃতির মাছটি ধরা পড়ে। পরে এটি তালতলীর ফকির দালালের আড়তে তোলা হয়। সেখানে উপস্থিত আড়তদার ও স্থানীয় ক্রেতারা দর হাঁকতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়। পরে ১৮ জন মিলে এটি ভাগ করে নেন।
আড়তদার লোকমান বলেন, কয়েক দিন ধরে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে, ফলে ইলিশের দামও কিছুটা কমেছে। ইলিশের সরবরাহ কম থাকলে ব্ল্যাককার্পটির দাম আরও বেশি হতে পারতো। মাছটি দেখতে লঞ্চঘাট এলাকার যাত্রী ও স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমেছিল।
জেলে সুলতান সরদারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। নৌকার জেলেরা জানান, মাছটি জালে উঠতেই সবাই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। এত বড় ব্ল্যাককার্প তারা আগে খুব একটা দেখেননি।
ভোলা সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, ছবিটি দেখে মাছটিকে ব্ল্যাক কার্প বলেই মনে হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের দেশীয় মাছ নয়; পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে চীন অঞ্চলের একটি স্বাদুপানির কার্পজাতীয় মাছ। বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে পুকুরে এর চাষ করা হয়। এ মাছের প্রধান খাদ্য শামুক ও ঝিনুক।
মেহেদী হাসান বলেন, নদীতে প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে ব্ল্যাককার্প দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে। পুকুরে সাধারণত ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাককার্প বেশি দেখা যায়। বর্ষা বা বন্যার সময় এ ধরনের মাছ নদীতে চলে যেতে পারে। এই মৎস্য কর্মকর্তা আরও জানান, ব্ল্যাককার্প প্রাকৃতিকভাবে বাংলাদেশের নদ-নদীর মাছ নয়। তবে বন্যার পানিতে চাষের পুকুর থেকে বেরিয়ে গিয়ে নদীতে টিকে থাকতে পারলে বড় আকার ধারণ করতে পারে। ভোলার মেঘনায় ধরা পড়া ২৪ কেজির এই ব্ল্যাককার্প সেই বিরল ঘটনারই একটি উদাহরণ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category