• সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
Headline
অনেক জলঘোলার পর বিশ্বকাপে ইরান, ভিসা নিয়ে ফিফাকে অভিযোগ বাংলাদেশে আসছেন না ট্রাভিস হেড, ওয়ানডেতে নেই অধিনায়ক মার্শও এনরিক রিকুয়েলমেকে হারিয়ে রিয়াল সভাপতির হলেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন ব্রাজিলের ওয়েসলি, বদলি খেলোয়াড় এদেরসন সভাপতি তামিমের নেতৃত্বে আগামী চার বছর ক্রিকেটের নীতি নির্ধারণ করবেন বিসিবির ২৫ পরিচালক বিশ্বকাপের আগে দলে কিছু সমস্যা হলেও প্রস্তুত ব্রাজিল দল আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পের শহরে গোলাগুলি, আহত ৯ রোমান্টিক ছবি ‘ককটেল ২’, বাজেটের ৫০ শতাংশ চলে এসেছে শুটিংয়ে বিব্রতকর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মারাঠি অভিনেত্রী প্রিয়া বাপট দুই ঈদে দুই সিনেমা নিয়ে আলোচনার তুঙ্গে রয়েছেন নাজিফা তুষি

২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাবে যেসব নতুন নিয়ম

Reporter Name / ৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বেশ কিছু নিয়মে পরিবর্তন এনেছে ফুটবলের আইনপ্রণেতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)। নতুন নিয়মগুলো ২০২৬-২৭ মৌসুম থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও আসন্ন বিশ্বকাপই হতে যাচ্ছে এই নিয়মগুলো প্রয়োগের প্রথম বড় মঞ্চ।ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজ কলিনা জানিয়েছেন, ম্যাচে বর্ণবাদ ও বৈষম্য দূর করা, সময় অপচয় রোধ করা এবং খেলার গতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে।
উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মুখ ঢাকলেই লাল কার্ড: ম্যাচ চলাকালীন সময়ে কোনো ফুটবলার মাঠে কোনো ধরণের বিরোধ বা উত্তপ্ত পরিস্থিতির সময় হাত, বাহু কিংবা জার্সি দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে রাখলে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হবে। মূলত প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে বর্ণবাদী বা আপত্তিকর গালি দিয়ে মুখ লুকিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই কঠোর নিয়ম আনা হয়েছে। তবে একই ক্লাবে খেলা দুই ভিন্ন দেশের সতীর্থরা যদি মাঠে স্বাভাবিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ কথাবার্তা বলার সময় মুখ ঢাকেন, তবে কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না।
প্রতিবাদে মাঠ ছাড়লে লাল কার্ড ও ম্যাচ বাজেয়াপ্ত: রেফারির কোনো সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে যদি কোনো খেলোয়াড় মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান, তবে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হবে। কোনো দলের কোচ বা অফিশিয়াল যদি খেলোয়াড়দের মাঠ ছেড়ে চলে যেতে প্ররোচিত করেন, তবে তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এছাড়া কোনো দল মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে প্রতিপক্ষ দলকে সরাসরি জয়ী ঘোষণা করা হবে।
থ্রো-ইন ও গোল-কিকের জন্য ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন: সময় নষ্ট করা বন্ধ করতে রেফারিরা এখন থেকে থ্রো-ইন এবং গোল-কিকের সময় হাত উঁচিয়ে দৃশ্যমান ৫ সেকেন্ডের একটি কাউন্টডাউন শুরু করবেন। ৫ সেকেন্ডের মধ্যে বল মাঠে না পাঠালে থ্রো-ইনের সুযোগ প্রতিপক্ষ দল পেয়ে যাবে। আর গোলরক্ষক যদি ৫ সেকেন্ডের মধ্যে কিক না নেন, তবে শাস্তি স্বরুপ প্রতিপক্ষ দলকে সরাসরি একটি কর্নার কিক উপহার দেওয়া হবে।
বদলি খেলোয়াড়দের জন্য ১০ সেকেন্ডের নিয়ম: কোনো খেলোয়াড়কে তুলে নেওয়ার জন্য যখন ফোর্থ আম্পায়ার সাইডলাইনে কোড বোর্ড প্রদর্শন করবেন, তখন মাঠের খেলোয়াড়কে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে বাউন্ডারি লাইনের সবচেয়ে কাছের অংশ দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হবে। যদি তিনি ১০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ না ছাড়েন, তবে তার পরিবর্তে নামতে যাওয়া নতুন খেলোয়াড়টি পরবর্তী এক মিনিট মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না। এক মিনিট পর খেলা যখন প্রথমবার থামবে, তখন রেফারির সংকেত পাওয়ার পরই কেবল নতুন খেলোয়াড় মাঠে ঢুকতে পারবেন। তবে গুরুতর চোট বা নিরাপত্তার বিষয় থাকলে এই নিয়ম শিথিল হতে পারে।
মাঠের বাইরে এক মিনিটের চিকিৎসা: মাঠে চোট পাওয়ার পর যদি কোনো আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে চিকিৎসা দিতে মেডিকেল স্টাফরা মাঠে প্রবেশ করেন, তবে চিকিৎসা শেষে খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর ওই খেলোয়াড়কে বাধ্যতামূলকভাবে এক মিনিট মাঠের বাইরে অপেক্ষা করতে হবে। তবে গোলরক্ষকের চোট, গোলরক্ষক ও আউটফিল্ড খেলোয়াড়ের মুখোমুখি সংঘর্ষ, একই দলের দুই খেলোয়াড়ের সংঘর্ষ, মাথায় গুরুতর আঘাত কিংবা চোট পাওয়া খেলোয়াড়টি যদি পেনাল্টি শ্যুটার হন, তবে তাকে বাইরে যেতে হবে না।
ভিএআর প্রযুক্তির পরিধি বৃদ্ধি: ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর’র ক্ষমতা আরও বাড়ানো হয়েছে। ভুলবশত কাউকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেওয়া হলে কিংবা ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো হলে তা সংশোধন করতে এটা ব্যবহৃত হবে। আবার ভুলভাবে কোনো কর্নার কিক দেওয়া হলে, খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে তাৎক্ষণিকভাবে তা সংশোধন করার সুযোগ থাকছে। ফ্রি-কিক বা কর্নার নেওয়ার আগে যদি কোনো ফরোয়ার্ড রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে ফাউল করেন, তবে ভিএআর রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দেবে এবং ফাউল প্রমাণিত হলে কার্ড ও পুনরায় কিক নেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে।
বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক: বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের দুই অর্ধে বাধ্যতামূলকভাবে তিন মিনিট করে হাইড্রেশন ব্রেক বা পানি পানের বিরতি দেওয়া হবে। সাধারণত প্রতি অর্ধে ২২ মিনিটের কাছাকাছি সময়ে এই বিরতি দেওয়া হবে।
গোলরক্ষকের চিকিৎসাকালীন কোচিং নিষিদ্ধ: ম্যাচ চলাকালীন কোনো গোলরক্ষক মাঠে চোট পেয়ে চিকিৎসা নিতে থাকলে সেই সুযোগে অন্য খেলোয়াড়রা মাঠের সাইডলাইনে গিয়ে নিজেদের কোচের কাছ থেকে কোনো ধরণের কৌশলগত পরামর্শ নিতে পারবেন না। তাদের মাঠের ভেতরেই অবস্থান করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category