• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
Headline
দেশে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৮ শতাংশ বন্ধ নয়, শৃঙ্খলা আনতে চায় সরকার দেশে সাড়ে ৫৮ হাজার চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিই সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি কচুয়ায় নবাগত ইউএনওকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে পৃথক অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও অস্ত্রসহ আটক ১; নাজিরপুরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৮ ত্রিশালে চোরাই অটোরিক্সাসহ চারজন গ্রেফতার দেশে সাড়ে ৫৮ হাজার চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজধানীর জুরাইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের দাবি

‘সংকটের সমাধান করুন, ১৭ বছরের দোহাই আর দিয়েন না’

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: নাগরিক আন্দোলনের নেতা মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান করুন। ১৭ বছরের দোহাই আর দিয়েন না। মানুষ আর কোনও অজুহাত শুনতে চায় না। আপনারা ছয় মাস সময় চেয়েছিলেন। ছয় মাস পার হয়ে গেছে, কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না। এখন নানা অজুহাত দাঁড় করাচ্ছেন।’
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জুরাইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের দাবিতে এলাকাবাসীর আয়োজনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভয় দেখাবেন না, দেখানোর চেষ্টাও করবেন না। মানুষ তিন বছর আগে ভয়কে জয় করেছে। এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জলাবদ্ধতায় ভুগছে। আপনারা এই সমস্যা সমাধানে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।’
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওয়াসার পানি নিয়ে আন্দোলন করে আলোচনায় আসা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন নাগরিক সমস্যায় ভুগছি। এ সমস্যা সমাধানের জন্য অফিসে গেলে কর্মকর্তারা আমাদের মানুষ মনে করেন না। আর জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় এসে সব সমাধান করার আশ্বাস দেন। কিন্তু ভোটের পর আর কোনও খোঁজ থাকে না।’
তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের এটা উঠান বৈঠক মনে করতে পারেন। কিন্তু আমরা আপনাদের কার্যক্রম এক মাস দেখবো। আমাদের সমস্যার সমাধান না হলে পরের পরিস্থিতির জন্য জনগণকে দায়ী করতে পারবেন না। আমরা এলাকার জনগণকে নিয়ে এই এলাকার সমস্ত হাইওয়ে বন্ধ করে দেবো। রেলপথও বন্ধ করে দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি কীভাবে আদায় করতে হয়, আমরা দেখিয়ে দেবো। আমাদের তেমন পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবেন না।’
মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা শুনছি আপনারা বোয়িং কিনছেন। দফায় দফায় চুক্তি করছেন। আমি বলবো, আগে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করুন। বোয়িং পরে কিনুন। আমরা মনে করছি, বিদেশিদের খুশি করতে তাদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে ইচ্ছা করেই সংকট তৈরি করছেন।’
তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে সংকট থাকলেও এত মারাত্মক হয়নি। আপনি আসার পর কেন এত বড় সংকট হবে? আমরা আমাদের দাবি বৃহত্তর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আদায় করবো।’
‘শ্যামপুর-কদমতলীর বিক্ষুব্ধ জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত এ সভা সঞ্চালনা করেন মাহদী। এসময় আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা সোহাগ রায়, আলতাব হোসেন, সাগর, মামুন, বাসের আলী প্রমুখ।
তারা বলেন, মানুষ তারেক রহমানের ওপর অনেক আস্থা রেখেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয়ে যাচ্ছে যে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে তিনি ব্যর্থ হচ্ছেন—এমন লক্ষণই তারা বুঝতে পারছেন।
বক্তারা আরও বলেন, এই এলাকার মানুষ আন্দোলন করতে জানে। আপনাদের এক এমপির কথা নিশ্চয়ই মনে আছে। মানুষ বিক্ষুব্ধ হলে এবার কিন্তু সেরকম পরিস্থিতি হতে পারে। তখন এলাকার লোকজনকে দোষ দিতে পারবেন না।’ সমাবেশের পর মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category