• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
Headline
হোমনায় ডাকাত সন্দেহে গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে দেয়া কালি মুছে ভাইরাল রিকশাচালক সুপারিশকৃত বিচারকদের হবে ডোপ টেস্ট, বেঁধে দেয়া হলো সময় ভোটারের হাতের কালি শুকানোর আগেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ‘কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে’: কৃষিমন্ত্রী এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ৩–৬ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হবে: মাহদী আমিন সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে ডিএসসিসির বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ক্ষতিকর উপাদানে তৈরি নকল ও ভেজাল পণ্যে বাজার সয়লাব শিক্ষার্থীদের ফলাফলের পাশাপাশি পাঠদানের কার্যকারিতাও মূল্যায়ন করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

কচ্ছপের স্বর্গ আলদাব্রা, সংখ্যায় ছাড়াল সেশেলসের মানুষকেও

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

রকমারি ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্তভাবে বিচরণকারী দৈত্যাকার কচ্ছপের আবাসস্থল সেশেলসের আলদাব্রা অ্যাটল দ্বীপে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কচ্ছপের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। একসময় অতিরিক্ত শিকারের কারণে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়া এই প্রজাতির কচ্ছপ এখন সেখানে ভালোভাবে টিকে আছে এবং বংশবৃদ্ধি করছে।
সেশেলস আইল্যান্ডস ফাউন্ডেশন (এসআইএফ) ও যুক্তরাজ্যের এক্সিটার বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ইকোলজি অ্যান্ড ইভোলিউশন-এ প্রকাশিত গবেষণায় প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রায় প্রাপ্তবয়স্ক কচ্ছপের সংখ্যা আনুমানিক ১ লাখ ৮৩ হাজার বলে হিসাব করা হয়েছে। এই সংখ্যা সেশেলসের মোট মানব জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।
২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের গণনার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসাব তৈরি করা হয়েছে। ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে প্রায় ১ লাখ কচ্ছপের যে হিসাব করা হয়েছিল, এরপর এটিই প্রথম হালনাগাদ জরিপ।
গবেষকদের মতে, উনবিংশ শতাব্দীতে অতিরিক্ত শিকারের কারণে দ্বীপটিতে আলদাব্রা প্রজাতির কচ্ছপের সংখ্যা এক হাজারের নিচে নেমে এসেছিল। সংরক্ষণ উদ্যোগের ফলে ১৯৮১ সালে দ্বীপটি কঠোর প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগার এবং ১৯৮২ সালে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।
এসআইএফের প্রধান নির্বাহী ফ্রাউকে ফ্লেশার-ডগলি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ প্রচেষ্টার ফলেই দ্বীপটিতে এত বিপুলসংখ্যক কচ্ছপ মুক্তভাবে বিচরণ করছে। গবেষণার সহলেখক ন্যান্সি বানবুরি জানান, ঘন গাছপালার কারণে কচ্ছপ গণনা কঠিন। তাই দেখা ও অদেখা কচ্ছপের হিসাব করতে গাণিতিক মডেল ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে কচ্ছপগুলোর জন্য জলবায়ু পরিবর্তন, দীর্ঘ ও ঘন ঘন খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বুনো বিড়াল ও কালো ইঁদুরের মতো আক্রমণাত্মক প্রাণী এখনো হুমকি। এসব প্রাণী কচ্ছপের ডিম ও সদ্যোজাত বাচ্চা খেয়ে ফেলে।
গবেষকদের আশা, নতুন হিসাব ভবিষ্যতে কচ্ছপের সংখ্যা পর্যবেক্ষণ এবং হুমকি মোকাবেলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংরক্ষণকর্মীদের সহায়তা করবে।

সূত্র: গার্ডিয়ান


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category