• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
Headline
হোমনায় ডাকাত সন্দেহে গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে দেয়া কালি মুছে ভাইরাল রিকশাচালক সুপারিশকৃত বিচারকদের হবে ডোপ টেস্ট, বেঁধে দেয়া হলো সময় ভোটারের হাতের কালি শুকানোর আগেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ‘কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে’: কৃষিমন্ত্রী এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ৩–৬ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হবে: মাহদী আমিন সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে ডিএসসিসির বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ক্ষতিকর উপাদানে তৈরি নকল ও ভেজাল পণ্যে বাজার সয়লাব শিক্ষার্থীদের ফলাফলের পাশাপাশি পাঠদানের কার্যকারিতাও মূল্যায়ন করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

লুটেসিয়াম মৌল ব্যবহার করে বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভুল পারমাণবিক ঘড়ি তৈরি

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রকমারি ডেস্ক: লুটেসিয়াম মৌল ব্যবহার করে বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভুল পারমাণবিক ঘড়ি তৈরি করেছেন সিঙ্গাপুরের সেন্টার ফর কোয়ান্টাম টেকনোলজিসের গবেষকেরা। তাঁদের দাবি, নতুন ঘড়িটি দশমিকের পর উনিশ ঘর পর্যন্ত সময় নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে। এই ঘড়িতে ১ সেকেন্ড হারাতে ২৬০ বিলিয়ন বছরের বেশি সময় লাগবে। নতুন এই আবিষ্কার সময় পরিমাপের পদ্ধতি পাল্টে দেওয়ার পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞানের অনেক অজানা রহস্য উন্মোচন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের গবেষক মারে ব্যারেট জানান, এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত ঘড়ি। পারমাণবিক ঘড়ি পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তির স্তর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সময়ের গতি হিসাব করে। গত শতাব্দীর ষাট দশক থেকে সিজিয়াম পরমাণু বিশ্বব্যাপী সময়ের মান ঠিক করে আসছে এবং জিপিএস ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক সচল রাখছে। ইটারবিয়াম ও স্ট্রনশিয়ামের মতো অন্যান্য মৌল সিজিয়ামের তুলনায় অনেক দ্রুত অসিলেট করায় আরও বেশি নির্ভুলতা দিতে পারে।
সিঙ্গাপুরের গবেষক দলটি এক দশকের বেশি সময় ধরে লুটেসিয়াম মৌল নিয়ে গবেষণা চালিয়ে এই সফলতা অর্জন করেছে। লুটেসিয়াম ঘড়ির ফ্রিকোয়েন্সি পরিমাপ করে অসাধারণ নির্ভুলতা পাওয়া গেছে। লুটেসিয়ামের বিশেষ রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের কারণে তাপমাত্রা বা চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তনের ফলে এর ফ্রিকোয়েন্সিতে কোনো প্রভাব পড়ে না। গবেষক মারে ব্যারেট জানান, এই ঘড়িটি পৃথিবীর উষ্ণতম স্থান ডেথ ভ্যালি বা অ্যান্টার্কটিকার শীতলতম এলাকাতেও ব্যবহার করা যাবে।
ঘড়িটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে একটি ট্র্যাপড লুটেসিয়াম আয়ন ও লেজার রশ্মি। গবেষক দলের সদস্য মাইকেল লি জানিয়েছেন, তাঁদের পরবর্তী লক্ষ্য আকারে বড় ঘড়িটিকে ছোট করে সহজে বহনযোগ্য করা। এ ধরনের অতি নিখুঁত অপটিক্যাল ঘড়িগুলো মহাকর্ষের ক্ষুদ্র পরিবর্তন শনাক্ত করতে ও পদার্থবিজ্ঞানের জটিল প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সাহায্য করতে পারে।

সূত্র: ডেইলি মেইল


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category