• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ

Reporter Name / ১০ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: রাজধানীর মিরপুর–১০ নম্বর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে তৈরিপোশাক কারখানার শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়েছে। আজ রবিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সংঘর্ষ থামে। ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সকাল থেকে মিরপুর–১০ নম্বর মোড়ের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন শ্রমিকেরা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরে যেতে বারবার অনুরোধ করছিল পুলিশ। একপর্যায়ে বেলা সোয়া ১১টার দিকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন শ্রমিকেরা। তখন পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে। তারা শ্রমিকদের ধাওয়া দেয়। জলকামান দিয়ে পানি ছোড়ে। সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। এতে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে শ্রমিকেরা আবার একজোট হয়। তারা বিভিন্ন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দুপুর পৌনে ১২টার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি চলে।
ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর–১০ নম্বর মোড়ের সড়ক অবরোধ করে সকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন তৈরিপোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। আজ সকাল আটটার দিকে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। এ ঘটনায় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল।
অবরোধের কারণে মিরপুর ১০ নম্বরের মেট্রোস্টেশনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, মিরপুরের কয়েকটি স্থান থেকে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা আজ সকালে জড়ো হন। তাঁরা মিরপুর–১০ নম্বর মোড় অবরোধ করেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
একই দাবিতে শনিবারও মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেছিলেন পোশাকশ্রমিককেরা। সড়ক অবরোধের কারণে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মিরপুর–১০, ১১, ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
একপর্যায়ে শ্রমিকেরা মিরপুর–১ নম্বরের শাহ আলী এলাকায় জড়ো হন। সেখানে কয়েকটি মার্কেট ও পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এ ছাড়া কালশী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন শ্রমিকেরা।
এদিকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে আজ মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ কথা বলেছেন। গতকাল রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, এ অবস্থায় শ্রমিকদের আন্দোলনে থাকার কোনো কারণ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category